রাশিয়ার পাল্টা জবাব, ৬০ মার্কিন কূটনীতিককে বহিষ্কার

রাশিয়ার পাল্টা জবাব, ৬০ মার্কিন কূটনীতিককে বহিষ্কার

বিশ্বের প্রধান পরাশক্তিধর দুই দেশ রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বৈরিতা দিন দিন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের সলসবুরিতে বিষপ্রয়োগে সাবেক রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে হত্যাচেষ্টার পর দুই দেশের বৈরিতা আবারো সেই ঠান্ডা যুদ্ধের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।

সম্প্রতি ৬০ রুশ কূটনীতিককে বরখাস্ত করে যুক্তরাষ্ট্র। এবার পাল্টা জবাবে ৬০ মার্কিন কূটনীতিককে বরখাস্ত করল রাশিয়া। একইসঙ্গে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে মার্কিন কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। খবর রাশিয়ার।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এই বহিষ্কার ও কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা দিয়ে বলেন, রাশিয়ার কূটনীতিকদের বহিষ্কারের পাল্টা জবাব হিসেবে মস্কো ৬০ জন মার্কিন কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে। সেন্ট পিটার্সবার্গে মার্কিন কনস্যুলেট বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৬০ জন রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেন। একসঙ্গে সিয়াটলের রুশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ যুক্তরাজ্যের সলসবুরি শহরের একটি বিপণিকেন্দ্রের বাইরে বেঞ্চিতে সাবেক রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তা সের্গেই স্ক্রিপাল ও তার মেয়ে ইউলিয়াকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। যিনি বর্তমানে যুক্তরাজ্যের হয়ে কাজ করছিলেন।

কিছুদিন আগে সের্গেই এর বিষয়ে রাশিয়া অভিযোগ করে বলেছিলেন, তিনি রাশিয়ার গোপন তথ্য যুক্তরাজ্যের কাছে হস্তান্তর করছে, যা রাশিয়ার জন্য চরম উদ্বেগের। তার কিছুদিন পরই নার্ভ এজেন্ট প্রয়োগ করে তাদের হত্যা চেষ্টা করা হয়। এরপরই তাদেরকে হত্যাচেষ্টায় রাশিয়া দিকে আঙ্গুল তোলে ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপিয় ইউনিয়ন। কারণ এই নার্ভ এজেন্ট শুধুমাত্র সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে উৎপাদিত হতো।

এ ঘটনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন অনুগত ২৫টি দেশ প্রায় ১০০ জন রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করে। তবে সের্গেইকে বিষপ্রয়োগে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে রাশিয়া।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট