শরীর আরও কর্মক্ষম করে তোলার উপায়!

শরীর আরও কর্মক্ষম করে তোলার উপায়!

আপনার ইমিউন সিস্টেম সুস্থ রাখার জন্য চারটি প্রধান উপাদান রয়েছে। যা হল- পুষ্টি, ব্যায়াম, শ্বাস এবং ধ্যান। এই খাবারগুলি সর্বোত্তম অনাক্রম্যতা দূর করে আমাদের শরীরে পুষ্টি প্রদান করে। আসুন খাবার গুলো কি ,সেই সম্পর্কে জেনে নেয়া যাকঃ

সাইট্রাস ফল:

বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যকর সাইট্রাস ফল বিশেষ করে কমলা, লেবু, আঙ্গুর, জাম্বুরা ইত্যাদি সম্পর্কে কম-বেশি আমরা সবাই পরিচিত। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, কপার, ফসফরাস, থায়ামিন, পটাশিয়াম, নিয়াসিন এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এসব ফল ক্লান্তি দূর করে শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ক্যালরি অনেক কম থাকায় তা ওজন কমাতেও সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও এগুলো অনেক উপকারী। সাইট্রাস ফলে ফ্লাভোনল এবং লিমোনয়েড নামে এমন এক ধরনের উপাদান আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

গ্রীন টি:

জাপানের বিজ্ঞানীদের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, দিনে অন্তত ৫ কাপ সবুজ চা যারা পান করেন তারা শারীরিকভাবে অনেক প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে দৈনন্দিন কাজে গতিশীল ও চটপটে স্বভাবের হয়ে ওঠেন। কোলেস্টেরল কমিয়ে হার্টের অসুখ ও হার্ট এটাক প্রতিরোধ করে। এমনকি হার্ট এটাকের পরের কোষগুলোর দ্রুত মরে যাওয়া প্রতিরোধ ও দ্রুত নিরাময় নিশ্চিত করে।

শাক:

খাওয়া-দাওয়ায় নিয়মিত শাক-সবজি আমাদের সুস্থতায় অনেক গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখে। বিশেষ করে সবুজ শাক-সবজি শরীরের জন্য অনেক উপকারী। সবুজ শাক-সবজিতে রয়েছে ভিটামিন সি, ই, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, বিটা-ক্যারোটিন, লবণ, আঁশ, অ্যান্টি -অক্সিডেন্টসহ নানা উপাদান। আঁশযুক্ত শাক-সবজি পেট পরিস্কার রাখতে সাহায্য করে। সবুজ শাক-সবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফোলাইট। ফোলাইট আমাদের শরীরে রক্তের ‘হোমোসিস্টেইন’ নামক অ্যামিনো অ্যাসিড স্বাভাবিক মাত্রায় রাখতে সাহায্য করে।

ব্রোকলি:

ব্রোকলিতে রয়েছে অধিক পরিমাণে পটাশিয়াম, যা স্নায়ুতন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ করে একে সুস্থ আর রোগমুক্ত রাখে। লেবুর দ্বিগুণ ও আলুর সাত গুণ ভিটামিন সি ব্রোকলিতে। বলা হয়, যাঁদের ভিটামিন সি দরকার, তাঁরা অল্প করে হলেও ব্রোকলি প্রতিদিন খেতে পারেন। সেলিনিয়াম দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে প্রচুর ভিটামিন এ থাকায় ত্বকে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে বাধা দেয়। সর্দি-কাশিও ঠেকাতে পারে ব্রোকলি।

দই:

দই শুধু মজাদার খাবারই নয়, এটি স্বাস্থ্যকরও বটে। দইয়ে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’। দুটি উপাদানই হাড়ের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। নিয়মিত দই খেলে হাড় মজবুত হবে। দইয়ে রয়েছে অসংখ্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া। এ ব্যাকটেরিয়াগুলো দেহের ক্ষতি করে না বরং হজমে সহায়তা করে। এ ছাড়া দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও কাজ করে দইয়ের ব্যাকটেরিয়া। নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় দই খেলে দেহের ওজন কমে। দেহের চর্বি কমে এবং সার্বিকভাবে ওজন কমাতে সহায়তা করে।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট