সকালে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’

সকালে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’

পশ্চিম ও মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ সামান্য উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে পশ্চিম ও মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় সাইক্লোনের তীব্রতা সম্পন্ন প্রবল ঘূর্ণিঝড় তিতলিতে পরিণত হয়েছে।

বুধবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত ঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৮৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৮৫০ থেকে কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৭৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঝড়টির কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার। দমকা বা ঝড়ো হাওয়া আকারে যা ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে।

ধারণা করা হচ্ছে এটি আরও উত্তর বা উত্তর-পশ্চিমে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে আগামীকাল সকাল নাগাদ গোপালপুরের নিকট দিয়ে ভাতরের উড়িষ্যা-অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করবে।

তিতলির কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দর এলাকায় ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়াও সকল অভ্যন্তরীন নৌচলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

পূর্বাভাস বলছে, তিতলির প্রভাবে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তিতলির প্রভাবে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট