সম্পর্কের ক্ষেত্রে তো যৌনতা আসবেই!

সম্পর্কের ক্ষেত্রে তো যৌনতা আসবেই!

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। দীর্ঘ দিনের ক্যারিয়ার তার। কমার্শিয়াল কিংবা বিকল্প ধারা, সব ধরণের ছবিতেই অভিনয় করেছেন তিনি। এমনকি যৌনতা নির্ভর অনেক ছবিতেও অভিনয় করে আলোচিত হন ঋতুপর্ণা।

সম্প্রতি ঋতুপর্ণা নতুন একটি ছবিতে অভিনয় করেছেন। এটাও যৌনতা নির্ভর। এই ছবিতে অভিনয় ও নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, ঋতুপর্ণা মানেই সম্পর্ক আর যৌনতার গল্প কেন? উত্তরে তিনি বলেন, একেকজন পরিচালক একেক ধারায় চলেন। অগ্নির (পরিচালক) ছবিতে নায়িকার ‘ফিজিক্যালিটি’ একটা বড় জায়গা জুড়ে থাকে। অন্য পরিচালক হয়তো সম্পর্কের ক্ষেত্রে মানসিক চেতনার দিকটা বড় করে দেখান। এটাই স্বাভাবিক। তবে এ ছবিতে অগ্নির দেখার চোখটাই আলাদা। আর গল্পের প্রয়োজনে, সম্পর্কের ক্ষেত্রে তো যৌনতা আসবেই! সেটাকে অস্বীকার করব কেন বলুন তো? আর এই সাদা-কালোর ব্যাকগ্রাউন্ডে যৌনতার নান্দনিকতাও চমৎকার ফুটে উঠেছে এই ছবিতে।

ঋতুপর্ণা আরো বলেন, এত বছর পরে ঋতুপর্ণার নতুন করে কোথাও কিছু প্রমাণ করার নেই। একেবারেই নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ২০২০ সালে ভারতের প্রত্যেক ঘরে এক জন করে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী থাকবে। ভাবা যায়! সোনালি বেন্দ্রের ক্যান্সারের কথা পড়ে মনটা ভীষণ খারাপ হয়েছিল! এমন একটা রোগ যার নিরাময়ের ব্যবস্থা নেই! কোন সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা?

ছবির গল্প প্রসঙ্গে ঋতুপর্ণা বলেন, কোনও দাম্পত্যে যদি ক্যান্সার ঢুকে পড়ে? সম্পর্কটা কোথায় যায়? এবং এমন এক দিনে এই ক্যান্সারের প্রবেশ যেখানে মহিলা ঠিক করেছেন তিনি আর এই সংসারে থাকতে পারছেন না! এ রকম একটা মানসিক টানাপড়েনের ছবি ‘গহীন হৃদয়’। আমরা অনেকেই জানি না, আমাদের হৃদয়ে কী চলছে! আর ক্যান্সারের মতো সমস্যায় এক জন অভিনেত্রী হিসেবে আমি রিয়্যাক্ট করব না তো কে করবে? অগ্নি এই ছবিতে সাহিত্য নিয়ে যে ট্রিটমেন্ট করেছে সেটা দর্শকের মনে থেকে যাবে, এটুকু বলতে পারি।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট