সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের পরিপত্র জারি

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের পরিপত্র জারি

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে পরিপত্র জারি করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার এই পরিপত্র জারি করে তা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহম্মদ স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকার সকল সরকারি দপ্তর, স্বায়ত্তশাসিত/আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন করপোরেশনের চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১৭/৩/১৯৯৭ তারিখের সম (বিধি-১) এস-৮/৯৫ (অংশ-২)-৫৬ (৫০০) নম্বর স্মারকে উল্লিখিত কোটা পদ্ধতি নিম্নরূপভাবে সংশোধন করল :

ক. ৯ম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন ২য় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করা হবে এবং

খ. ৯ম গ্রেড (পূর্বতন ১ম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন ২য় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হলো।

অবিলম্বে এটা কার্যকর হবে পরিপত্রে বলা হয়েছে।

এর আগে উচ্চ পর্যায়ের একটি সরকারি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভা গতকাল বুধবার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল তাঁর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

জনপ্রশাসনের চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের জন্য বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গত ২ জুলাই ২০১৮ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে। কমিটি গত ১৭ জুলাই প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিলের সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দেয়।

পরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম সাংবাদিকদের মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেন, ৯ম গ্রেড থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত সকল নিয়োগ এখন থেকে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে হবে। সরকার সময়ে সময়ে সরকারি চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখতে পারবে এবং তাদের জন্য কোটা নির্ধারণ করতে পারবে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট