সাকিবের ব্যাপারে ফিজিওর কাছে জানতে চাইবে বিসিবি

সাকিবের ব্যাপারে ফিজিওর কাছে জানতে চাইবে বিসিবি

সাকিব আল হাসান শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তার ইনজুরি আক্রান্ত আঙুল হয়তো শতভাগ ঠিক হবে না। শুক্রবার রাতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছড়ার আগে তিনি সংবাদমাধ্যমকে এমনই আতঙ্কের কথা জানান। তবে সাকিব মাঠে ফিরতে পারবেন এবং ভালোভাবেই ফিরবেন এমনটাই বিশ্বাস করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তার ইনজুরির কথা বলতে গিয়ে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, সাকিব ব্যথা নিয়ে যে পারফরমেন্স করেছে সে একজন ফাইটার। আমার মনে হয় যে সাকিব কষ্ট হলেও আশা করছি সে এই পারফরমেন্স করবে। এখানে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিষয়টাকে আপনি কীভাবে নিচ্ছেন। ওকে তো ছোটবেলা থেকেই আমি চিনি। ইন্‌শাআল্লাহ ও জায়গায় ফিরে আসবে।’

অন্যদিকে সাকিবের ভয়টাও কম নয়। তিনি দেশ ছাড়ার আগে বলেন, ‘সংক্রমণটা (ইনফেকশন) আমার সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার জায়গা। কারণ, ওটা যতক্ষণ পর্যন্ত জিরো পার্সেন্টে না আসবে, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো সার্জন অপারেশনে হাত দিবে না। তবে, এই আঙুলটা আর কখনো শতভাগ ঠিক হবে না। যেহেতু নরম হাড্ডি, আর কখনো জোড়া লাগার সম্ভাবনা নেই। পুরোপুরি ঠিক হবে না। সার্জারি করে ওরা এমন একটা অবস্থায় এনে দেবে হাতটা, আমি ব্যাট ভালোভাবে ধরতে পারবো, ক্রিকেট খেলাটা চালিয়ে যেতে পারবো।’

এশিয়া কাপে খেলতে চাননি সাকিব। বিসিবির অনুরোধেই  খেলতে হয়েছে তাকে। যে কারণে তার এই অবস্থার দায় এড়াতে পারবে না বিসিবিও। তবে আকরাম খান বিশ্বাস করেন সাকিবের সিরিয়াস কিছু হয়নি। আর সাকিববের সঙ্গে আলোচনার পরই তাকে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেও তিনি ফের দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘যেহেতু আলাপ আলোচনা করে এশিয়া কাপে খেলেছিল কিন্তু পরে সত্যি ওর হাত দেখে আমরাই ভয় পেয়েছিলাম। তারপরও আল্লাহর রহমতে সিরিয়াস কিছু হয়নি, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। ফিজিওর সঙ্গে আমরা কথা বলবো যে আগের অবস্থায় কেন গিয়েছে। সেটা হয়তো আগে চাইলে সে ক্লিয়ার করে দিতে পারত। ইনজুরি খেলারই একটা অংশ এটাতে আসলে কিছু করার থাকে না। ক্রিকেটারদের জন্য সবচেয়ে বেস্ট যে চিকিৎসা সেটা আমরা করার চেষ্টা করবো। দেখি অপারেশনের পর কি হয়, তারপর বলতে পারবো।’

গতকালও আকরাম সাকিবের এই অবস্থার দায় চাপিয়েছেন ফিজিও চন্দ্রমোহনের উপর। তিনি বলেন, ‘ফিজিওর ব্যাপারটা আমি আগেও বলেছি, এখনো বলছি। সাকিব যখন দেশে আসবে তখন ওকে নিয়ে ফিজিওর সঙ্গে বসবো। তখনই বলা যাবে ঘটনাটা কি হয়েছিল। ফিজিও দেশে এসেছিল, এশিয়া কাপ শেষ হওয়ার এক-দুইদিন পর সে গিয়েছে। এটার ব্যাপারে তো আগেই বললাম যে তার সঙ্গে বসা হবে। কি করা যায়, কি করবো সেটা আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।’

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট