সীমান্ত প্রতিরক্ষা চুক্তি দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানতে পারে- রিজভী

সীমান্ত প্রতিরক্ষা চুক্তি দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানতে পারে-  রিজভী

প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় ঋণ বাস্তবায়ন ও সার্বিক সহযোগিতা বিস্তারে বাংলাদেশ ও ভারতের যে সমঝোতা চুক্তি হয়েছে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

সীমান্ত প্রতিরক্ষা চুক্তি দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আজ রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকার জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে হঠাত বাংলাদেশ-ভারত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এ বিষয়ে সংসদের কোনো প্রকার আলোচনাও হয়নি। এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে দেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন বিভিন্ন মহল। নিরাপত্তা ঝুকিতে পড়তে পারে বাংলাদেশ।

তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষকে আবগত না করে এ ধরনের চুক্তিতে দেশবাসী চিন্তিত। ক্ষমতা দখলের জন্য সরকার এ ধরণের চুক্তি করেছে সরকার।

এসময় গত দশ দিনে পরিবারের সদস্যদের সাথে খালেদা জিয়ার সাক্ষাত না হওয়ায় এবং তার শারীরিক অবস্থার কোনো খবর না পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এ নেতা।

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আর মাত্র একদিন বাকী। সেখানে এখন রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সন্ত্রাসী তাণ্ডব চলছে। ফলে নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে এক ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ক্ষমতাসীনদের দাপটে খুলনা মহানগর জুড়ে এখন শুধুই আতঙ্ক। ভোটাররা ভীতিমুক্ত পরিবেশে নির্বিঘ্নে ভোট দেয়া দূরে থাক এখন তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চরম হুমকির মধ্যে নিপতিত। ইসি নির্বিকার ও নীরব দর্শক। নির্বাচন কমিশন জেগে থেকে ঘুমিয়ে থাকার ভান করছে। এই কারনেই খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মাঝে কানাঘুষা চলছে নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশন সরকারের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বাস্তবায়ন করছে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, আব্দুস সালাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-প্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহিন প্রমুখ।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট