স্টোকসই জিতিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডকে

স্টোকসই জিতিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডকে

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ খেলতে পারেননি বেন স্টোকস। তার অনুপস্থিতিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে বাজেভাবে সিরিজ হারে ইংল্যান্ড। মারামারিতে জড়িয়ে নিজের দোষে অ্যাশেজ খেলতে না পারায় দলের কাছে স্টোকস ‘ঋণী’ বলে মন্তব্য করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহ।

অ্যাশেজের পর ওয়ানডে সিরিজেও খেলতে পারেননি স্টোকস। তার মাঠে নামা হয়নি ত্রিদেশীয় টি-টুয়েন্টি সিরিজেও। অজিদের বিপক্ষে ওয়ানডে জিতলেও টি-টুয়েন্টি সিরিজে মাত্র একটি ম্যাচে জয়ের মুখ দেখে ইংল্যান্ড।

অবশেষে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দলে ফিরেছেন স্টোকস। কিন্তু প্রথম ম্যাচে দলের জন্য কিছুই করতে পারেননি। দলও হেরেছে কিউইদের। তবে স্টিভ ওয়াহ’র কথা অনুযায়ী দ্বিতীয় ম্যাচেই নিজের ‘ঋণ শোধ’ করলেন ইংলিশ ‘ব্যাড বয়’। আর তাতেই সিরিজে সমতায় ফিরল তার দল। স্টোকসের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে স্বাগতিকদের ৬ উইকেটে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। ফলে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ এখন ১-১ সমতা বিরাজ করছে।

বুধবার মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.৪ ওভারে ২২৩ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয়ে যায় স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। ব্যাটিংয়ের শুরুতেই মাত্র এক রান করে সাজঘরে ফিরে যান ওপেনার কলিন মুনরো। দলীয় নয় রানে ফিরে যান ওয়ানডাউনে ব্যাট করতে নামা মার্ক চ্যাপম্যান। হাফ-সেঞ্চুরি করে মঈন আলীর বলে ফিরেন আরেক ওপেনার গাপটিল। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন মিচেল স্যান্টনার। ৬৩ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ইংল্যান্ডের হয়ে ক্রিস ওয়েকস ২টি, মঈন আলী ২টি ও বেন স্টোকস ২টি করে উইকেট নেন।

পরে ইংল্যান্ড ব্যাট করতে নেমে ৩৭.৫ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। প্রথমে ৮ রান করেই সাজঘরে ফিরেন ওপেনার জ্যাসন রয়। ৩৭ রান করে করে ফিরেন আরেক ওপেনার জনি বেয়ারস্টো। তারপর মরগ্যান-স্টোকস জুটিতে জয়ের দিকে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। ৬৩ রান করে আউট হন মরগ্যান। দীর্ঘদিন পরে দলে ফেরা স্টোকসও ছিলেন দারুণ ছন্দে। মরগ্যানের পাশাপাশি তিনিও হাফ সেঞ্চুরি করেন। মরগ্যান ফিরে যাওয়ার পর জস বাটলার ব্যাট করতে নেমে ২০ বল খেলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ফল: ৬ উইকেটে জয়ী ইংল্যান্ড।

নিউজিল্যান্ড ইনিংস: ২২৩/১০ (৪৯.৪ ওভার)

(মার্টিন গাপটিল ৫০, কলিন মুনরো ১, চ্যাম্পম্যান ১, রস টেইলর ১০, টম লাথাম ২২, হেনরি নিকোলাস ১, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ৩৮,স্যান্টনার ৬৩*,সাউদি ৬,বোল্ট ২;  উইলি ১৬/০, স্টোকস ৪২/২, ওয়াকেস ৪২/২)।

ইংল্যান্ড ইনিংস: ২২৫/৪ (৩৭.৫ ওভার)

(জ্যাসন রয় ৮, জনি বেয়ারস্টো ৩৭, জো রুট ৯, ইয়ন মরগ্যান ৬২, জস বাটলার ৬৩*, স্টোকস ৩৬*; বোল্ট ২/৪৬,)

প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ:  বেন স্টোকস (ইংল্যান্ড)।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট