স্মিথরা ছাড় দিতে রাজি নন

স্মিথরা ছাড় দিতে রাজি নন

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে বোর্ড (সিএ) ও অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এসিএ) মধ্যে বেতন-ভাতা ও লভ্যাংশ প্রাপ্তি নিয়ে টানাপোড়েন বেড়েই চলেছে। এবার তাতে ঘি ঢাললেন জাতীয় দলের অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। এতদিন চুপ থাকার পর এবার মুখ খুললেন তিনি। বেতন-ভাতায় ক্রিকেটারদের দাবির ব্যাপারে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে কোনো ছাড় দেবেন না বলে স্পষ্ট জানালেন স্মিথ।

বেতন-ভাতা ও ক্রিকেট বোর্ডের লভ্যাংশে ক্রিকেটারদের প্রাপ্তি নিয়ে কয়েক মাস ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিতর্ক চলছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার নীতি মেনে নিতে না পারায় জাতীয় দলসহ চুক্তিবদ্ধ অধিকাংশ খেলোয়াড়সর্বশেষ চুক্তিতে সাইন করেননি। এতে এ বছর জুলাই থেকে জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা ‘বেকার’ হয়ে পড়েছেন। এই তালিকায় আছেন ২৩০ ক্রিকেটার। জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে একাত্ম ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়ার ‘এ’ দলের খেলোয়াড়রা।

তারা ইতিমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর বয়কট করেছে। আর জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা হুমকি দিচ্ছেন আসন্ন বাংলাদেশ ও ভারত সফর বয়কট করার। এমন কি তারপর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজ বয়কট করবেন বলেও হুমকি দেয়া হচ্ছে। এতদিন বেতন-ভাতা নিয়ে চলমান অচলাবস্থায় সরাসরি কথা বলেননি অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। বেশ কিছুদিন পরিবার নিয়ে ছিলেন অবকাশে যুক্তরাষ্ট্রে। যদিও এসিএর গুরুত্বপূর্ণ সভায় না থেকেও ভিডিও কনফারেন্সে তাদের প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করেছিলেন। সেই স্মিথই এবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে হয়েছেন সরব। জানিয়েছেন, লভ্যাংশ ভাগের বিষয়ে কোনভাবেই ছাড় দেবেন না তারা!

তিনি বিষয়টি নিয়ে ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘ক্রিকেটারা অনেকদিন ধরেই যা বলে আসছে সেটা হলো- আমরা লভ্যাশং ভাগাভাগির অংশটি কোনভাবেই ছেড়ে দেবো না। এসিএ বেশ কিছু পরিবর্তনের কথা বলেছে। যেখানে বর্তমান মডেলকে আরো উন্নত করতে চান তারা। আমরা সেই পরিবর্তনের পক্ষেই আছি। যাতে তৃণমূল পর্যায়ের ক্রিকেট আরও এগিয়ে যায়।’

এ পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘আমার ক্যারিয়ার থেকেই ঘরোয়া ক্রিকেটে উন্নয়নের সুফলটা আপনি দেখবেন। ২০১১ সালে যখন আমি বাদ পড়ি, তখন যদি ঘরোয়া ক্রিকেটে ভাল কিছু করে না দেখাতাম তাহলে আজকের অবস্থানে আমি থাকতে পারতাম না। আমরা যা নিয়ে লড়াই করছি তা হলো, ক্রিকেটারদের ন্যায্য পাওনা। ক্রিকেটই যাদের জীবন।’

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট