৩-১ এ সিরিজ জিতলো ভারত

৩-১ এ সিরিজ জিতলো ভারত

 

পাঁচ ম্যাচ সিরিজের শেষ ও পঞ্চম ওয়ানডেতে বিরাট কোহলির অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ভারত। এ নিয়ে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে সফরকারীরা।

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। দলীয় ৫ রানে জোসেফের শিকার হয়ে ফেরেন শিখর ধাওয়ান। এতে শঙ্কা জাগে পারবে তো কোহলি বাহিনী? কারণ, গেলো ম্যাচে মাত্র ১৯০ রান তুলতে পারেনি সফরকারীরা! তবে সব শঙ্কা উড়িয়ে দেন কোহলি। প্রথমে রাহানেকে (৩৯) নিয়ে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠেন। পরে দীনেশ কার্তিককে নিয়ে অনায়াসে জয়ের বন্দরে নোঙর করেন। এ দু’জনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে আসে ১২২ রান।

শেষ পর্যন্ত ৫০ রানে কার্তিক ও ১১১ রানে কোহলি অপরাজিত থাকেন। ভারতীয় অধিনায়কের ১১৫ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১২ চার ও ২ ছক্কায়।

দুর্দান্ত ইনিংস খেলে শুধু দলকে সিরিজই জেতাননি ব্যাটিং জিনিয়াস, গড়েছেন অনন্য কীর্তি। এ সেঞ্চুরি দিয়ে শচীন টেন্ডুলকারকে টপকে গেলেন কোহলি। রান তাড়া করতে নেমে এটি ভারতীয় অধিনায়কের ১৮তম সেঞ্চুরি।

এত দিন ১৭টি নিয়ে লিটল মাস্টারের সঙ্গে এ রেকর্ড ভাগাভাগি করে ছিলেন তিনি। এখন থেকে এ রেকর্ড শুধুই তার। সমসাময়িক ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কেবল ক্রিস গেইলই মাস্টার ব্লাস্টারের ধারেকাছে রয়েছেন। ক্যারিবিয় ব্যাটিং দানবের সেঞ্চুরি ১১টি।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি ক্যারিবিয়দের। পড়ে ভারতীয় বোলারদের তোপে। দলীয় ৭৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে সেই চাপ কিছুটা কাটিয়ে ওঠেন শাই হোপ। তিনি তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি (৫১)। হোপ ফিরে গেলে ফের খাদে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ক্যারিবিয়রা। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ২০৫ রান তুলতে সক্ষম হয় হোল্ডার বাহিনী।

ভারতের হয়ে মোহাম্মদ শামি ৪টি ও উমেশ যাদব নেন ৩ উইকেট।

12269

ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন বিরাট কোহলি। আর পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলে সিরিজসেরা হয়েছেন অজিঙ্কা রাহানে।পাঁচ ম্যাচ সিরিজের শেষ ও পঞ্চম ওয়ানডেতে বিরাট কোহলির অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ভারত। এ নিয়ে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে সফরকারীরা।

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। দলীয় ৫ রানে জোসেফের শিকার হয়ে ফেরেন শিখর ধাওয়ান। এতে শঙ্কা জাগে পারবে তো কোহলি বাহিনী? কারণ, গেলো ম্যাচে মাত্র ১৯০ রান তুলতে পারেনি সফরকারীরা! তবে সব শঙ্কা উড়িয়ে দেন কোহলি। প্রথমে রাহানেকে (৩৯) নিয়ে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠেন। পরে দীনেশ কার্তিককে নিয়ে অনায়াসে জয়ের বন্দরে নোঙর করেন। এ দু’জনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে আসে ১২২ রান।

শেষ পর্যন্ত ৫০ রানে কার্তিক ও ১১১ রানে কোহলি অপরাজিত থাকেন। ভারতীয় অধিনায়কের ১১৫ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১২ চার ও ২ ছক্কায়। দুর্দান্ত ইনিংস খেলে শুধু দলকে সিরিজই জেতাননি ব্যাটিং জিনিয়াস, গড়েছেন অনন্য কীর্তি। এ সেঞ্চুরি দিয়ে শচীন টেন্ডুলকারকে টপকে গেলেন কোহলি। রান তাড়া করতে নেমে এটি ভারতীয় অধিনায়কের ১৮তম সেঞ্চুরি। এত দিন ১৭টি নিয়ে লিটল মাস্টারের সঙ্গে এ রেকর্ড ভাগাভাগি করে ছিলেন তিনি। এখন থেকে এ রেকর্ড শুধুই তার।

সমসাময়িক ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কেবল ক্রিস গেইলই মাস্টার ব্লাস্টারের ধারেকাছে রয়েছেন। ক্যারিবিয় ব্যাটিং দানবের সেঞ্চুরি ১১টি। এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি ক্যারিবিয়দের। পড়ে ভারতীয় বোলারদের তোপে। দলীয় ৭৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে সেই চাপ কিছুটা কাটিয়ে ওঠেন শাই হোপ। তিনি তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি (৫১)। হোপ ফিরে গেলে ফের খাদে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ক্যারিবিয়রা। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ২০৫ রান তুলতে সক্ষম হয় হোল্ডার বাহিনী। ভারতের হয়ে মোহাম্মদ শামি ৪টি ও উমেশ যাদব নেন ৩ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ফল: আট উইকেটে জয়ী ভারত

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংস: ২০৫/৯ (৫০ ওভার)

(এভিন লিউইস ৯, কাইল হোপ ৪৬, শাই হোপ ৫১, রস্টন চেজ ০, জ্যাসন মোহাম্মেদ ১৬, জ্যাসন হোল্ডার ৩৬, রভম্যান পাওয়েল ৩১, অ্যাশলে নার্স ০, দেবেন্দ্র বিশু ৬, আলজারি যোসেফ ৩*, কেজরিক উইলিয়ামস ০*; মোহাম্মদ শামি ৪/৪৮, উমেশ যাদব ৩/৫৩, হার্দিক পান্ডিয়া ১/২৭, রবীন্দ্র জাদেজা ০/২৭, কুলদ্বীপ যাদব ০/৩৬, কেদার যাদব ১/১৩)।

ভারত ইনিংস: ২০৬/২ (৩৬.৫ ওভার)

(অজিঙ্কা রাহানে ৩৯, শিখর ধাওয়ান ৪, বিরাট কোহলি ১১১*, দিনেশ কার্তিক ৫০*; আলজারি যোসেফ ১/৩৯, জ্যাসন হোল্ডার ০/৩৫, দেবেন্দ্র বিশু ১/৪২, কেজরিক উইলিয়ামস ০/৪০, অ্যাশলে নার্স ০/৩৪, রভম্যান পাওয়েল ০/৬, রস্টন চেজ ০/৯)।

প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ: বিরাট কোহলি (ভারত)

প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ: অজিঙ্কা রাহানে (ভারত)

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট