৫২২ রানে ইনিংস ঘোষণা করলো টাইগাররা

৫২২ রানে ইনিংস ঘোষণা করলো টাইগাররা

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে সফরকারী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩০৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করে প্রথম সেশন বিনা উইকেটে পার করে স্বাগতিক বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ও শেষ সেশনে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৫২২ রান তোলে টাইগাররা। ১৬০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ ৫২২ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। দেশের  হয়ে টেস্টে ব্যক্তিগত ইনিংস সর্বোচ্চ ২১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন মুশফিকুর রহিম। ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন মেহেদি হাসান মিরাজ। এই দুজন ১৪৪ রানের জুটি গড়ে অবিচ্ছিন্ন থাকেন।

উইকেটকিপার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটেও ইতিহাস গড়ে ফেললেন এর মধ্য দিয়ে। প্রথম উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান হিসেবে দুটি ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছেন মুশফিক। একই সঙ্গে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবেও দুটি ডাবল সেঞ্চুরির মালিক তিনি। ইতিহাস গড়ার দিনে আরও একটি যুক্ত হয়েছে ইনিংস ঘোষণার আগে। টেস্টে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসটা এখন মুশফিকের। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২১৭ রান ছিলো সাকিব আল হাসানের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মুশফিকের ২১৯ রান এখন সর্বোচ্চ। এরপরেই প্রথম ইনিংসে পাহাড় গড়ে ৭ উইকেটে ৫২২ রানে ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। অপর প্রান্তে মেহেদী হাসান মিরাজও ছিলেন তার এই ইতিহাসের সঙ্গী। অপরাজিত ছিলেন ৬৮ রানে। অষ্টম উইকেটে এই জুটিতে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ ১৪৪ রান। দিনের আলোচিত জুটিও এটি।

বলতে গেলে প্রথম সেশনে ধীর-স্থির থাকলেও দ্বিতীয় সেশনে দ্রুত রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের এই সেশনে প্রথম ইনিংসে রানের পাহাড়ে চড়ে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় সেশন পর তৃতীয় সেশনেও ছিলো এই আগ্রাসন। নিরাপদ দূরত্বে থেকেই এই সেশনের শুরুতে ইনিংস ঘোষণা করেন মাহমুদউল্লাহ।

প্রায় দুটি দিন দাপট দেখানো বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিন নির্বিঘ্নেই শুরু করেছিলো। প্রথম সেশনে প্রতিরোধ দিয়ে খেলেছেন মুশফিকুর রহিম ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মধ্যাহ্ন ভোজনে যাওয়ার আগে প্রথম ইনিংসে তাদের সংগ্রহ ছিলো ৫ উইকেটে ৩৬৫ রান।

প্রথম সেশনে ব্যাট হাতে প্রতিরোধ দিয়ে খেললেও দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে মনোযোগ হারিয়ে বিদায় নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আবারও খোঁচা মারতে গিয়ে বলি হয়ে ফেরেন সাজঘরে। বিদায় নেন ৩৬ রান করে। এরপর দায়িত্ব জ্ঞানহীন শট খেলে বিদায় নেন আরিফুল হকও।

মুশফিকুর রহিম নির্ভরতার প্রতীক হয়েই ব্যাট করতে থাকেন। দ্বিতীয় দিন অস্বাভাবিক আচরণ করা শুরু করেছে পিচ। এমন বৈপরীত্যের মাঝেও প্রথম সেশনে দুই ব্যাটসম্যানের ধৈর্য ছিলো। কিন্তু বিরতির পর পেসার কাইল জার্ভিসের বাইরের লেন্থের বল অযথা খোঁচা মারতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে দেন উইকেটকিপারকে। ১১০ বল খেলা মাহমুদউল্লাহর ইনিংসের ইতি ঘটে ৩৬ রানে। তারপর নতুন নামা আরিফুল অযথা শট খেলে জার্ভিসের বলে পয়েন্টে ধরা পড়েছেন ব্রায়ান চারির হাতে। ১৮ বল খেলা আরিফুল হকের সংগ্রহ ছিলো ৪ রান। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ নামলে দ্রুত গতিতে স্কোর বোর্ডে রান জমা করতে থাকেন মুশফিকুর রহিম।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট