৬ মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে মুস্তাফিজকে!

৬ মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে মুস্তাফিজকে!

গত বছরই মাত্র অভিষেক হয়ে ছিলো মুস্তাফিজুর রহমানের। অভিষেকের পরপরই আর্ন্তজাতিক ক্রিকেটে এক বছরেই চমকে দিয়েছেন ক্রিকেট বিশ্বকে। কিন্তুু তার আর্ন্তজাতিক ক্রিকেটটা সুফল হলো না।

মাত্র এক বছরের ক্যারিয়ারেই তাকে ছয় মাসের লম্বা ছুটিতে যেতে হচ্ছে। সাসেক্সে গিয়ে বাম কাঁধের ইনজুরিতে পুনরায় পড়েছেন তিনি। এখন শুধু অপারেশনই করতে হবে। আর অপারেশন করলেই ছয় মাসের জন্য চলে যেতে হবে মাঠের বাইরে।

এর আগেও মুস্তাফিজকে ইনজুরির জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে। টি-২০ বিশ্বকাপ, এশিয়াকাপের মত আসরেই একাদশের বাইরে থেকেছেন মুস্তাফিজ। এবার সেই সময়টাই কেবল বাড়ালো না। সঙ্গে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা বাংলাদেশ পেস লাইনে কিছুটা ধাক্কাতো লাগলই।

মুস্তাফিজকে নিয়ে দুর্দান্ত ভাবেই এগিয়ে যাচ্ছিলো বাংলাদেশের পেস ডিপার্টমেন্ট। সামনেই ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের মত গুরুত্বপূর্ণ আসর। কিন্তুু টাইগারদের এমন গুরুত্বপূর্ণ আসরেই খেলা হবে না মুস্তাফিজের।

মুস্তাফিজকে তাই ভবিষ্যতে কঠোর হচ্ছে ক্রিকেট বোর্ড। বিসিবি আর জাতীয় দলের বাইরে অন্য দেশের লিগে মুস্তাফিজকে হয়তো আর বেশি দেবে না। বাংলাদেশের সম্পদকে সংরক্ষণে রাখতেই কঠোর হতে হবে বিসিবি।

কাউন্টিতে গিয়েই মুস্তাফিজ ইনজুরিতে পড়ায় এখন সমালোচনায় পড়তে হচ্ছে বিসিবিকে। কেউ কেউ বলছেন মুস্তাফিজকে আংশিক ফিট রেখেই বিসিবি কাউন্টিতে পাঠিয়েছে। তবে অভিযোগটি কখনো মানতে নারাজ বোর্ড।

ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, পুরো ফিট দেখেই মুস্তাফিজকে কাউন্টিতে দেয়া হয়েছে। সেখানে কোন ঝুঁকি নেওয়া হয়নি।

জাতীয় দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেন, ‘ভবিষ্যতে মুস্তাফিজকে কোথাও খেলতে পাঠানোর আগে মাথায় রাখতে হবে, তাঁর বাংলাদেশের হয়ে খেলাটা যেন কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বললেন, ‘মুস্তাফিজকে অবশ্যই বুঝে খেলানো হবে। পিএসএলে মুস্তাফিজের অফার ছিল কিন্তু আমরা তাকে খেলার অনুমতি দেইনি। সিপিএলেও অফার ছিল কিন্তু পাঠাইনি। তার যখনই কোনো সমস্যা হয়েছে তখনই কিন্তু তার কেয়ার নেওয়া হয়েছে। তাকে সব জায়গায় খেলতে দেওয়া হচ্ছে না। ভবিষ্যতেও হবে না। বাড়তি কোনো তার দেওয়ার কোনো প্রশ্নই উঠে না। মুস্তাফিজের ক্ষেত্রে আমরা কোনো ঝুঁকি নিচ্ছি না।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট