দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন এবং তরুণ পজন্মের কর্মসংস্থানে করছে সরকার

দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন এবং তরুণ পজন্মের কর্মসংস্থানে করছে সরকার

দেশে বিশ্বমানের ব্যবসায়ী পরিবেশ সৃষ্টি এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের জন্য দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের এনিমেশন ল্যাব উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের নির্বাচিত ১২ জন দরিদ্র শিক্ষার্থীদের হাতে ল্যাপটপ তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী।

এনিমেশন ল্যাব উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন এবং তরুণ পজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে বর্তমান সরকার। বিশ্বমানের ব্যবসায় পরিবেশ সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কারওয়ান বাজারের জনতা টওয়ারে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেখানে দেশি ও বিদেশি ১৩টি কোম্পানির পাশাপাশি ৫০টি স্টার্ট-আপ কাজ করছে।

জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, কালিয়াকৈর বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি, যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক এবং সিলেটে ইলেক্ট্রনিক সিটির কার্যক্রম খুব দ্রুতই শুরু হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব প্রতিষ্ঠার বিষয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সফটওয়্যার টেস্টিং কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স ল্যাব, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগ ডাটা অ্যানালাইটিকস ল্যাব এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রোবোটিক ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে আইসিটি ক্লাব স্থাপন করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাব প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে ল্যাপটপ বিতরণ এবং কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের এনিমেশন ল্যাব উদ্বোধন করা হল। প্রযুক্তির এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখার জন্য একটি মাত্র ডিভাইস যথেষ্ট; তা হল- কম্পিউটার। এর মাধ্যমে প্রযুক্তিগতভাবে অবদান রাখতেই তোমাদের হাতে সে ডিভাইস তুলে দেওয়া হল।

জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, বিশ্বের আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে বর্তমান সরকার। শুধু সরকারি নয়; বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কেও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ.আ.ম.স. আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মফিজুর রহমান, ড.মো. সালাম, সহকারী অধ্যাপক সামিয় রহমান প্রমুখ।

সম্পর্কিত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক