না ফেরার দেশে জাতীয় অধ্যাপক এমআর খান

না ফেরার দেশে জাতীয় অধ্যাপক এমআর খান

জাতীয় অধ্যাপক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এম আর খান আর নেই। শনিবার বিকেল ৪টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর সেন্ট্রাল হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

গত কয়েক মাস ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন এম আর খান।

ডা. এম আর খান দেশের জাতীয় অধ্যাপক, বাংলাদেশের শিশু চিকিৎসার জনক হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। তিনি পেনশনের টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন ডা. এম আর খান-আনোয়ারা ট্রাস্ট। দুস্থ মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, তাদের আর্থিক-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে এ ট্রাস্টের মাধ্যমে তিনি নিরন্তর কাজ করেছেন।

বাংলাদেশের শিশু চিকিৎসার পথিকৃৎ এম আর খানের জন্ম ১৯২৮ সালের ১ আগস্টে সাতক্ষীরায়।  ১৯৫২ সালে কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন তিনি।

উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য ১৯৫৬ সালে তিনি সস্ত্রীক বিদেশে পাড়ি জমান। ১৯৬২ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

১৯৬৩ সালে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর অব মেডিসিন পদে যোগ দেন। ১৯৬৪ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক (শিশুস্বাস্থ্য) পদে যোগদান করেন। ১৯৬৯ সালে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগে যোগ দেন এবং এক বছরের মধ্যেই অর্থাৎ ১৯৭০ সালে তিনি অধ্যাপক হিসাবে পদোন্নতি পান। ১৯৭১ সালে তিনি ইনস্টিটিউট অব পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিসিন এন্ড রিসার্চ (আইপিজিএমআর)-এর অধ্যাপক ও ১৯৭৩ সালে এই ইনস্টিটিউটের যুগ্ম-পরিচালকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ১৯৭৮ সালের নভেম্বরে তিনি ঢাকা শিশু হাসপাতালে অধ্যাপক ও পরিচালকের পদে যোগদান করেন। একই বছরে পুনরায় তিনি আইপিজিএমআর-এর শিশু বিভাগের অধ্যাপক নিযুক্ত হন এবং দক্ষতা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৮ সালে অধ্যাপক ডা. এম আর খান অবসর গ্রহণ করেন।

সম্পর্কিত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক