বরিশাল বুলস এর বিপক্ষে কুমিল্লার দ্বিতীয় হার  

বরিশাল বুলস এর বিপক্ষে কুমিল্লার দ্বিতীয় হার  

বিপিএলে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে এসে কুমিল্লার বিপক্ষে প্রথম জয় পেয়েছে বরিশাল বুলস। এদিন ১৮.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে কুমিল্লার করা ১২৯ টপকে যায় দলটি।

মিরপুরে শুক্রবার দিনের প্রথম ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা নেমেছিল প্রথম ম্যাচে চিটাগং ভাইকিংসের কাছে হারের পর এবার ঘুরে দাঁড়াতে। কিন্তু ব্যাটিং ব্যর্থতায় তা হলো না। টস জিতে ৮ উইকেটে ১২৯ রান করেছিল কুমিল্লা। ধীরে সুস্থে খেলেই বরিশাল ১৮.৩ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩০ রান করে ফেলে। ঢাকা ডাইনামাইটসের কাছে প্রথম ম্যাচে হারা বরিশাল চ্যাম্পিয়নদের হারিয়েই জয়ে ফিরল। এই প্রথম বিপিএলে কুমিল্লাকে হারাল তারা। গেলবার ফাইনালেও কুমিল্লার কাছে হেরেছিল বরিশাল।

১৩.৪ ওভারে ৭৩ রানে ৬ উইকটে হারিয়েছিল কুমিল্লা। ২৫ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ক্রিজে আসা মারলন স্যামুয়েলস হাল ধরে ৪৮ বলে ৪৮ রানের ইনিংস খেললেন। সপ্তম উইকটে জুটিতে সোহেল তানভিরের সাথে ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৮ রানের জুটি গড়লেন। তবে দলকে বলার মতো স্কোরটা দেওয়ায় শেষ বড় ভূমিকা পাকিস্তানি তানভিরের। ১৯ বলে ৩ ছক্কায় ৩০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন। শেষ ওভারে মেরেছেন দুই ছক্কা। কিন্তু মাশরাফিদের বোলিংয়ে সেই আগুন ছিল না যা দিয়ে রক্ষা করা যেত ১২৯ রান।

আগুন না থাকলেও বোলারদের দেওয়া চাপটা ছিল ১৪ ওভার পর্যন্ত। ৩ উইকেটে ৭৮ তখন বরিশালের। উইকেটে মুশফিক ও থিসারা পেরেরা। কিন্তু পরের তিন ওভারে ছিটকে পড়ে কুমিল্লা। শরীফের ওভারে ১৩, তানভিরের কাছ থেকে ৮। ১৭তম ওভারে ইমাদ ওয়াসিমকে একটি করে ছক্কা মারেন মুশফিক ও পেরেরা। ওই ওভারে আসে ১৭ রান। ৩ ওভারে ৩৮। শেষ ১৮ বলে আর ১৪ দরকার।

১৮তম ওভারের তৃতীয় বলে মুশফিক ২৩ বল ৩৩ করে ফেরেন তানভিরের শিকার হয়ে। পেরেরার সাথে চতুর্থ উইকেটে ওভার প্রতি ১০.১৩ রানে ৪৯ জুটি মুশফিকের। ওই জুটিতেই ততক্ষণে ম্যাচটা বরিশালের। ৩ চার ও ১ ছক্কায় দারুণ এক হার না মানা ইনিংস খেলা লঙ্কান পেরেরা নিরাপদেই জয়ের বন্দরে নিয়েছেন দলকে।

এর আগে কুমিল্লার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই ধাক্কা খেয়েছে নিয়মিত উইকেট হারিয়ে। ইমরুল কায়েস (০) এ দিনও ব্যর্থ। ম্যাচের দ্বিতীয় বলে তাইজুল ইসলাম বোল্ড করেছেন তাকে। গত বিপিএলে কুমিল্লায় খেলে সেনসেশন হয়ে ওঠা পেসার আবু হায়দার অন্য ওপেনার খালিদ লতিফকে (১২) ফিরিয়েছেন। আবু হায়দার এদিন ২ উইকেট নিয়েছেন।

স্যামুয়েল এসে রান আউট হয়ে ফিরতে দেখলেন নাজমুল হোসেন শান্ত (১৬) ও ইমাদ ওয়াসিমকে (১)। নিচে নামিয়ে দেওয়া লিটন দাসও (৪) ব্যর্থ আবার। নাহিদুল ইসলাম (৪) থিসারা পেরেরার শিকার। নিয়মিত উইকেট পতনে অল্প রানেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা জাগে কুমিল্লার। স্যামুয়েলস ও তানভিরের ব্যাটে এরপর মাঝারি সংগ্রহ পায় কুমিল্লা। কিন্তু জেতার লড়াই দেওয়া হলো না তাদের।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট