সানির অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভারতে সিনে-পর্দায় সানির ডকুমেন্ট্রি!

সানির অনিচ্ছা সত্ত্বেও ভারতে সিনে-পর্দায় সানির ডকুমেন্ট্রি!

এবারও কাজ করল না সানির ইচ্ছা। অনেক বাধা দেওয়ার পরও শেষমেশ ভারতে দেখানো হচ্ছে সানির ডকুমেন্ট্রি।

সানির জীবনের খুঁটিনাটি ক্যামেরাবন্দি করেছেন দিলীপ মেহতা। ৪১তম টরেন্টো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ছবিটি দেখানো হয়েছে। কিন্তু সেখানে হাজির ছিলেন না খোদ লিওনি। নেপথ্যে ছিল কিছু টপলেস ছবি। বেবিডল আপত্তি তুলেছিলেন এই ছবিগুলি নিয়ে। তিনি চাননি তাঁর তথ্যচিত্রে এইসব ছবি জায়গা পাক। তাছাড়া নায়িকার কথায়, এই সিনেমায় অনেক ভুল তথ্য রয়েছে।

তবে এসব মানতে নারাজ পরিচালক সরাসরি জানিয়ে দেন, তথ্যচিত্র থেকে বাদ দেওয়া হবে না ছবিগুলি। সানির এমন প্রস্তাবে আশ্চর্য পরিচালক বলেন, “ যে সানিকে আমি চিনতাম সে খুব সাহসী ছিল। তবে কি সানি ভয় পাচ্ছে সমাজকে?”।

নার্স হওয়ার জন্য যখন পড়াশোনা করছিলেন সানি, তখন এক ডান্সার বন্ধুর মারফত আলাপ হয় এক ম্যাগাজিনের ফটোগ্রাফারের সঙ্গে। সেখান থেকেই খোলে পর্ন ইন্ডাস্ট্রির দরজা। রাতারাতি বদলে যায় তাঁর জীবন। আবার সে ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষে থাকতে থাকতেই চলে আসেন বিগ বসের আসরে। সেখান থেকে একটার পর একটা বলিউডি ছবিতে অভিনয় করে চলেছেন। সানি জীবনের এই যাত্রাপথ তুলে ধরেছেন দিলীপ।

তবে শুধু দিলীপ নয়! একটা সময় সানিও চেয়েছিলেন তাঁকে নিয়ে তথ্যচিত্র তৈরি হোক। কারণ বলিউডের একজন অভিনেত্রী হওয়া সত্ত্বেও তাঁর অতীত নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই।

অনেকেই ভাবেন, তিনি বোধহয় পর্নস্টারই হতে চেয়েছিলেন। সেই ভুল ধারণা কাটাতেই এই তথ্যচিত্র সানির কাছে জরুরি মনে হয়েছে। পর্নস্টার হলেও তাঁর জীবনেও যে ভাঙাগড়া রয়েছে, সংগ্রাম রয়েছে তাইই সকলকে এই তথ্যচিত্রের মাধ্যমে জানাতে চান সানি। তবে আজ পাল্টে গিয়েছে সেই ধারণা। সানি চান না তাঁর

এছবি কোথাও দেখানো হোক। নীল দুনিয়া ছেড়ে এখন বলিউডে নাম লিখিয়েছেন সানি। কিন্তু অতীতকে কিছুতেই মুছতে পারছেন না নায়িকা।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট