সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান বাংলার মাটিতে হবে নাঃ প্রধানমন্ত্রী

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান বাংলার মাটিতে হবে নাঃ প্রধানমন্ত্রী

২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি ঐক্যমতের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি নিজে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ফোন করেছিলাম। সকাল ১০টায় ফোন করি, তিনি ধরেননি। তার সময় হয়নি, ফোন ধরার! যারা একদিন আমাদের বাসায় এসে মোড়া পেতে বসে থাকতো, ফোন করলে তারা এখন ফোন ধরেন না!

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান বাংলার মাটিতে হবে না এবং বাংলার মাটি অন্য কোন দেশের সন্ত্রাসীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনের সময় ফোন করেছিলাম কারণ, একসঙ্গে নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছিলাম। তবে তিনি সেই আহ্বান বর্জন করেছেন, নির্বাচন বর্জন করেছেন।

সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, উগ্র সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলায় শনিবার গণভবন থেকে একসঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৩ সালে দেশকে অস্থিতিশীল করতে বিএনপি-জামায়াত দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে। ২০১৪ সালে নির্বাচন বন্ধের জন্য বাসে, অটোরিকশায় আগুন দিয়ে প্রায় ১৩৫ জন নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। ২০১৫ সালে হঠাৎ খালেদা জিয়া (বিএনপি চেয়ারপার্সন) আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাতের ঘোষণা দিলেন। আন্দোলন করলেন, আন্দোলন কি? জ্বালাও পোড়াও। নিরীহ মানুষ হত্যা করা।

আসলে নির্বাচনে না গিয়ে বিএনপি তাদের ভুল বুঝতে পেরে মানুষ পুড়িয়ে এর শোধ নিতে থাকে। ভুল করবে তারা, আর তাদের ভুলের মাসুল বাংলার মানুষকে দিয়ে হবে তা কেমন করে হয়!

দেশের উন্নয়নে আওয়ামী লীগের অবদানের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যত উন্নয়ন আওয়ামী লীগ আমলে হয়েছে, আগে কেন হয়নি? আগে যারা দেশ চালিয়েছে, সবাই লুটপাট করে নিজেদের উন্নয়নে ব্যস্ত ছিল।’

‘আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিটি ছেলে-মেয়ে স্কুলে যাক, বিএনপি এটা চায়নি। খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তার ব্যবস্থা আমরা করেছি। এমনকি কোনো সরকার ভারতের কাছে স্থল সীমানা চুক্তি নিয়ে কথা বলতে পর্যন্ত যায়নি, যা আমরা করেছি এবং সফল চুক্তি সম্পাদন করেছি, ‘যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সম্পর্কিত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক