রোমাঞ্চকর জয়ে ফাইনালে শ্রীলঙ্কা

রোমাঞ্চকর জয়ে ফাইনালে শ্রীলঙ্কা

জয়ের জন্য শেষ ৬ বলে মাত্র ১০ রান প্রয়োজন ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ব্যাটিংয়ে সোলায়মান বেন ও জেসন হোল্ডার। বোলিংয়ে নুয়ান প্রদ্বীপ। প্রথম বলে ১ রান নিয়ে হোল্ডার প্রান্ত বদল করে বেনকে স্ট্রাইকে পাঠালেন। দ্বিতীয় বল ডট। তৃতীয় বল মিড উইকেটের উপর দিয়ে বিশাল ছয়। লঙ্কানদের জয়ের প্রদ্বীপ সেখানেই নিভে যায়! শেষ ৩ বলে ক্যারিবিয়ানদের প্রয়োজন ৩ রান। ২ উইকেট হাতে রেখে এ জয় পাওয়া কোনো ব্যাপারই ছিল না। কিন্তু বিধাতা জয় লিখে রেখেছিল লঙ্কানদের ভাগ্যে। সেই লিখন মুছবে কে!

চতুর্থ বল আবারও ডট হওয়ার পর পঞ্চম বলে ডিপ কভারে বেন ক্যাচ তুলে দেন। আর শেষ বলটি ছিল মনমুগ্ধকর। প্রদ্বীপের ১৪৪ গতির ইয়র্কার লেন্থের বল কোনো রকমে উইকেট বাঁচিয়ে মাত্র ১ রান নেওয়ার সুযোগ পান হোল্ডার। উল্লাসে মেতে উঠে লঙ্কান ক্রিকেটাররা। ১ রানের জয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল নিশ্চিত করল শ্রীলঙ্কা।

শ্রীলঙ্কার দেওয়া ৩৩১ রানের লক্ষ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ নির্ধারিত ওভারে ৩২৯ রানের বেশি করতে পারেনি। ব্যাট হাতে অসাধারণ সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছেন এরভিন লুইস। লুইস ১২২ বলে ১৪৮ রান করে আর বাকি ক্রিকেটাররা ১৭৮ বলে করেন ১৬০ রান! দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক হোল্ডার।

বল হাতে শ্রীলঙ্কার হয়ে ২টি করে উইকেট নেন কুলাসেকারা ও লাকমাল। ১টি করে উইকেট নেন প্রদ্বীপ ও গুরুরাত্নে।

এর আগে কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ৩৩০ রানের পুঁজি পায় শ্রীলঙ্কা। সর্বোচ্চ ৯৪ করে রান করেন নিরোশান ডিকভেলা ও কুশল মেন্ডিস। নিরোশান ডিকভেলা ১০৬ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় এবং মেন্ডিস ৭৩ বলে ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ৯৪ রানের ইনিংসগুলো সাজান। বল হাতে হোল্ডার ৫৭ রানে নেন ৩ উইকেট।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট