মুফতি হান্নানের প্রাণভিক্ষা নাকচের কপি কারাগারে

মুফতি হান্নানের প্রাণভিক্ষা নাকচের কপি কারাগারে

সিলেটে সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মুফতি হান্নানের প্রাণভিক্ষার আবেদনের খারিজের কপি কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছেছে।

কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র জেলসুপার মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে এ বিষয়ে সরকারি কোনও নির্বাহী আদেশ এখনও পাননি তারা।

এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘মুফতি হান্নানের প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছিলেন তা রাষ্ট্রপতি খারিজ করে দিয়েছেন। এখন কারাগার তার ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ রায় কার্যকরের জন্য জেলকোড অনুযায়ী যা যা করা দরকার সে প্রক্রিয়াগুলো শেষ করে তার ফাঁসি কার্যকর করা হবে।’

সিলেটে সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর হামলা মামলায় হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি হান্নানসহ তিনজনের ফাঁসির আদেশ আপিলেও বহাল রাখেন। এরপর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়ে আবেদন করেন মুফতি। তবে সেই আবেদন খারিজ কর দেন রাষ্ট্রপতি।

১৯ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে মুফতি হান্নানের রিভিউ আবেদন খারিজ করে আগের রায় বহাল রাখেন। ২২ মার্চ তাকে কারাগারে রায় পড়ে শোনানো হয়। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মুফতি হান্নান ২০১৩ সাল থেকে কাশিমপুরের হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তার দুই সহযোগীর একজন শরীফ শাহেদুল বিপুল কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার এবং অপর আসামি দেলোয়ার হোসেন রিপন সিলেট জেলা কারাগারে রয়েছে। তারা দুজনও প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছেন।

সিলেটের হযরত শাহজালালের (রা.) মাজারে ২০০৪ সালের ২১ মে আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা হয়। হামলায় আনোয়ার চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত এবং পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন নিহত হন।

ওই মামলায় ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত ৫ আসামির মধ্যে মুফতি হান্নান, বিপুল ও রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সম্পর্কিত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক