মণীশের ব্যাটে দিল্লি বধ নাইটদের

মণীশের ব্যাটে দিল্লি বধ নাইটদের

রানটা কিন্তু খুব একটা বেশি ছিল না। মাত্র ১৬৯। কিন্তু, শুরুর দিকে উইকেট হারিয়ে নিজেদের কাজটা কঠিন করে ফেলেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। তবে ঝড়টা সামলে নিল মণীশ পাণ্ডে এবং ইউসুফ পাঠান জুটি। চতুর্থ উইকেটে তাঁদের ১১০ রানের পার্টনারশিপের দৌলতেই কলকাতা নাইট রাইডার্স ৪ উইকেটে জয়লাভ করে।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৮ রান তোলে। গোটা ম্যাচটাই প্রায় নাইট ব্রিগেডের দখলে ছিল। কিন্তু, ১৭ ওভারে জ্বলে ওঠেন দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের উইকেটরক্ষক তথা ব্যাটসম্যান ঋষভ পান্থ। উমেশ যাদবের এক ওভারে ২৬ রান সংগ্রহ করে কলকাতা নাইট রাইডার্সের সমস্ত পরিকল্পনাই ভেস্তে দেন। সঞ্জু স্যামসন (৩৯), স্যাম বিলিংস (২১), করুণ নায়ার (২১), শ্রেয়স আইয়ার (২৬) নিজেদের সাধ্যমতো দলের রান এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। শেষের দিকে অবশ্য ক্রিস মরিস ৯ বলে ১৬ রান করেন। কলকাতার সামনে জয়ের জন্য দিল্লি ১৬৯ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের (১) উইকেট হারায় কলকাতা। সেই ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই ফিরে যান রবিন উথাপ্পা (৪)। ভরসা ছিলেন অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর (১৪)। কিন্তু, তিনিও দলের স্বার্থে খুব একটা বেশি কাজে লাগতে পারেননি।

এরপর দলের হাল ধরেন মণীশ পাণ্ডে এবং ইউসুফ পাঠান। পাঠানের ধামাকাদার অর্ধশতরান (৫৯) দলের জয়ের রাস্তা অনেকটাই মসৃণ করে দেয়। ১৫.৫ ওভারে হাফ সেঞ্চুরি করেন মণীশ পাণ্ডেও। ফিরে যান সূর্যকুমার যাদবও (৭)। শেষ ওভারে তৈরি হয় টানটান উত্তেজনা। বল হাতে আসেন অমিত মিশ্র। দ্বিতীয় বলেই ফেরত যান ক্রিস ওকস (৩)। তাঁর জায়গায় মাঠে নামেন সুনীল নারিন। অবশেষে নারিনকে সঙ্গী করেন ৪ উইকেটে জয়লাভ করে কলকাতা নাইট রাইডার্স।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট