চোখের জলে বার্সার বিদায়, শেষ চারে জুভেন্টাস

চোখের জলে বার্সার বিদায়, শেষ চারে জুভেন্টাস

ফুটবলে রুপকথা রোজ রোজ হয় না৷জুভেন্তাসের বিরুদ্ধে জয় প্রায় ‘অসম্ভব’ জেনেও আপামোর বার্সেলোনার সমর্থকরা স্বপ্ন দেখেছিলেন আরও একটা মিরাকেলের! চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মেসিরাই তো স্বপ্নের প্রত্যাবর্তনের ইতিহাস লিখেছিলেন মাসখানেক আগে৷ফের একবার কি হতে পারে না অত্যাশ্চর্য কিছু!

চলতি টুর্নামেন্টে প্যারিস সাঁ জাঁ-র কাছে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে প্রথম লেগে ৪-০ পিছিয়ে থেকেও, দ্বিতীয় লেগে ৬-১ ম্যাচ জিতে নিয়েছিল লুইস এনরিকের শিষ্যরা৷সাম্প্রতিক এই কামব্যাক ম্যাচই জুভেন্তাসের বিরুদ্ধে তাতিয়েছিল বার্সাকে৷কিন্তু না, ঈশ্বর এবার চিত্রনাট্য লিখে রেখেছিলেন সাদা-কালো জার্সিধারীদের জন্যই৷বার্সাকে ছিটকে দিয়ে ইউরোপ সেরার শেষ চারে খেলবে জুভেন্তাসই৷

এক সপ্তাহ আগে তুরিনে গিয়ে জুভেন্তাসের কাছে প্রথম লেগে ০-৩ গোলে হেরে এসেছিলেন মেসিরা৷ন্যু ক্যাম্পে সেই গোল পার্থক্য ঘুচিয়ে দ্বিতীয় লেগে জয় তুলে আনার রাস্তাটা অত্যন্ত কঠিন ছিল৷ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে নিজেদের ঘরের মাঠেই ০-০ ড্র করল বার্সা৷দু’লেগ মিলিয়ে ৩-০ জিতে টুর্নামেন্টের সেমিতে পৌঁছে গেল জুভেন্তাস৷চোখের জল আর হতাশাতেই বার্সার এবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অভিযান শেষ হয়ে গেল৷ইতালিয়ান ক্লাবগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ সপ্তমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে উঠল বার্সা৷রিয়াল মাদ্রিদ, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও মোনাকোর সঙ্গেই হবে তাদের লড়াই৷।

এদিন মেসিরা সর্বশক্তি দিয়েই ঝাঁপিয়ে ছিলেন৷কিন্তু ম্যাচ শুরুর আগেই যে তারা কোথাও হেরেই ছিলেন৷স্নায়ুর চাপ ধরে রাখতে না-পেরে একাধিক লক্ষ্যভ্রষ্ট শটের বন্যা বয়ে যায়৷অ্যালিগ্রির রক্ষণাত্মক স্ট্র্যাটেজিতে গোলের মুখই খুলতে পারলন বার্সা৷ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই সেলিব্রেশনে মেতে উঠল জুভেন্তাস৷কিন্তু আনন্দে মাতলেন না ড্যানি আলভেজ৷দু’মরশুম আগে তিনি ছিলেন বার্সার ট্রেবল জয়ের অন্যতম নায়ক৷কান্নায় ভেঙে পড়া স্বদেশী নেইমারকে সান্ত্বনা জানাতে বুকে জড়িয়ে নিলেন তিনি৷বার্সা ছাড়ার পর প্রথমবারের মতো ন্যু ক্যাম্পে পা রেখেছিলেন আলভেজ৷

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট