ঘোষণার এক ঘণ্টা পরেই রমজানে মাংস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার

ঘোষণার এক ঘণ্টা পরেই রমজানে মাংস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট  প্রত্যাহার

মাংস ব্যবসায়ী সমিতি বিভিন্ন দাবিতে সকালে সংবাদ সম্মেলনে পহেলা রমজান থেকে ধর্মঘটের ডাক দিলেও, মাত্র এক ঘণ্টা পরই বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের আশ্বাসে প্রত্যাহার করে নেয়। তবে ধর্মঘটের পক্ষে বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন সাধারণ মাংস ব্যবসায়ীরা। ক্রেতাদের জিম্মি করে এ ধরণের ধর্মঘটকে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বলে মনে করেন ক্রেতারা।

গাবতলি গরুর হাটে খাজনা কমানো, সীমান্তসহ সারাদেশে চাঁদাবাজি বন্ধ, স্বাস্থ্য সম্মত পশু জবাইখানাসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরতে রোববার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে মাংস ব্যবসায়ী সমিতি। এ সময় তারা বলেন তাদের দাবি মেনে নেয়া হলে ৩০০ টাকায় গরুর মাংস ও ৫০০ টাকায় খাসির মাংস বিক্রি করা সম্ভব হবে।

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাদের এ দাবি মানা না হলে পহেলা রমজান থেকে ঘোষণাও দেয় মাংস ব্যবসায়ী সমিতি।

সংবাদ সম্মেলনে সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আলোচনার মাধ্যমে পুঞ্জিভূত সমস্যা সমাধানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হলে পহেলা রমজান থেকে সারা দেশে মাংস ব্যবসায়ীরা কর্মবিরতি পালন করবে।

তবে তার এক ঘণ্টা পরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রীর সাথে আলোচনায় বসে মাংস ব্যবসায়ী সমিতি। এসময় বাণিজ্য মন্ত্রীর আশ্বাসে আপাতত তাদের এ ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়া হয় সমিতির পক্ষ থেকে।

এর আগে মার্চে একই দাবিতে সারা দেশে ৬ দিনের ধর্মঘট পালন করে মাংস ব্যবসায়ীরা। তবে বারবার এ ধরনের ধর্মঘটের বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাধারণ মাংস ব্যবসায়ীরা।

তারা জানান, প্রতিদিন তাদের যে পরিমাণ ডোনেশন দিতে হচ্ছে তাতে তারা লোকসানে পড়ে যাচ্ছেন। আগে ধর্মঘট করেও কোন লাভ হয়নি বলেও জানান তারা। বর্ডারে না ধরলে সরাসরি গরু চলে আসলে দাম কমে যাবে বলেও মত তাদের।

ক্রেতারা মনে করছেন যে কোন দাবি আদায়ে এ ধরনের ধর্মঘট সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।

তাদের মতে, যে যেভাবে পারছে এগুলো করছে। মাঝখান থেকে ভোক্তারা হয়রানির শিকার হচ্ছে। রমজান মাসে বন্ধ করাটাকে অযৌক্তিকভাবে দেখছেন তারা।

ঢাকা শহরে এই মুহূর্তে মাংসের দোকান রয়েছে ৫ হাজার এবং সারা দেশে রয়েছে প্রায় ১ লক্ষ দোকান।

সম্পর্কিত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক