ভিলিয়ার্সের ব্যাটিং তাণ্ডবে বাংলাদেশের সামনে ৩৫৩ রানের পাহাড়

ভিলিয়ার্সের ব্যাটিং তাণ্ডবে বাংলাদেশের সামনে ৩৫৩ রানের পাহাড়

এবারের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের বোলিংয়ে হতাশা যেন কাটছেই না। টেস্ট সিরিজ ও প্রথম ওয়ানডেতে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সেই একই চেহারা দেখা গেল বাংলাদেশের বোলিংয়ে। সেই সুযোগে এই ম্যাচে বাংলাদেশকে ৩৫৪ .রানের টার্গেট দিয়েছে স্বাগতিকরা।

বুধবার পার্লে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকা। টস জিতে বাংলাদেশ আগে ফিল্ডিং করেছে।

ব্যাটিংয়ে স্বাগতিকদের দারুণ সূচনাই দিয়েছেন হাশিম আমলা ও ডি কক জুটি। এ জুটিতে ৯০ রান উঠার পর আউট হন ডি কক। সাকিব আল হাসানের বলে ব্যক্তিগত ৪৬ রানে এলবিডব্লিউ হন তিনি। ওই ওভারেই (ইনিংসের ১৮তম ওভার) নতুন ব্যাটসম্যান প্রোটিয়া অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিসকে বোল্ড আউট করেন সাকিব।

তবে এতে করে বাংলাদেশ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে নি। কারণ, হাশিম আমলা ও ক্রিজে নতুন আসা এবি ডি ভিলিয়ার্স এক রেকর্ড জুটি গড়ে বসে। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি (১২টি) হাঁকানো জুটি এখন আমলা-ভিলিয়ার্স।

ইনিংসের ৩৭তম ওভারের শেষ বলে আমলা ব্যক্তিগত ৮৫ রানে বিদায় নেন; ভাঙে আমলা-ভিলিয়ার্সের ১৩৬ রানের জুটি। আমলাকে আউট করে বাংলাদেশকে তৃতীয় সাফল্য এনে দিয়েছেন পেসার রুবেল হোসেন।

আমলা বিদায় নিলেও দক্ষিণ আফ্রিকার রান ঘোড়ার গতিতেই ছুটতে থাকে! কারণ, উইকেটের অপর প্রান্তে থাকা এবি ডি ভিলিয়ার্স এদিন ব্যাট হাতে স্বমূর্তি ধারণ করেছিলেন। মাত্র ৬৮ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ২৫তম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ভিলিয়ার্স।

ডি ভিলিয়ার্স আউট হন ব্যক্তিগত ১৭৬ রানে (১০৪ বলে)। তাকে আউট করে ম্যাচে নিজে দ্বিতীয় উইকেটের দেখা পান রুবেল। কিন্তু ততক্ষণে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৪৩ রান (৪৭.৪ ওভারে)।

ইনিংসের শেষ ওভারে বাংলাদেশ শিবিরে খানিকটা আনন্দ এনে দেন পেসার রুবেল হোসেন। ওই ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে জেপি ডুমিনি ও পিটেরিয়াসকে আউট করেন তিনি; ম্যাচে নেন ৪ উইকেট।

শেষ পর্যন্ত ইনিংস শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৩৫৩ রান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

দক্ষিণ আফ্রিকা ইনিংস: ৩৫৩/৬ (৫০ ওভার)

(হাশিম আমলা ৮৫, কুইন্টন ডি কক ৪৬, ফাফ ডু প্লেসিস ০, এবি ডি ভিলিয়ার্স ১৭৬, জেপি ডুমিনি ৩০, ফারহান বিহারডাইন ৭*, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস ০, আন্দিল ফেহলাকওয়েও ০*; মাশরাফি বিন মর্তুজা ০/৮২, তাসকিন আহমেদ ০/৭১, সাকিব আল হাসান ২/৬০, নাসির হোসেন ০/৪৯, রুবেল হোসেন ৪/৬২, সাব্বির রহমান ০/১১, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ০/১৬)।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট