নেইমার-এমবাপ্পে-কাভানিতে পিএসজির গোলোৎসব

নেইমার-এমবাপ্পে-কাভানিতে পিএসজির গোলোৎসব

গোল পেয়েছেন নেইমার, স্কোরশিটে নাম তুলেছেন কাইলিয়ান এমবাপে ও এদিনসন কাভানিও। আক্রমণভাগের এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে চ্যাম্পিয়নস লিগে প্যারিস সেন্ত জার্মেইও করেছে গোলোৎসব। অ্যান্ডারলেখটকে তাদেরই মাঠে হারিয়ে এসেছে ফরাসি ক্লাবটি ৪-০ গোলে।

বুধবার রাতে ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই গোলের খাতা খোলে পিএসজি। মিডফিল্ডার মার্কো ভেরাত্তির বাড়ানো বলে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে ফাঁকি দেন এমবাপে।

ম্যাচের ২৪ মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি এমবাপে। প্রথমে এমবাপের থেকে বল কেড়ে নেন স্বাগতিক গোলরক্ষক। তবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। সেটি পেয়ে যান নেইমার। ব্রাজিল তারকার শট বাঁ-পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।

পরে বেশকিছু আক্রমণ জমিয়ে তুলেও জাল খুঁজে না পাওয়ার শেষটা হয় ৪৪ মিনিটে। নেইমারের জোরাল শট ফিরিয়ে নায়ক বনে যাচ্ছিলেন স্বাগতিক গোলরক্ষক সেলস। সেটি পৌঁছে যায় ফাঁকায় থাকা এমবাপের কাছে। ফরাসি তারকা বল ঠেলে দেন বক্সে থাকা কাভানিকে। উরুগুয়ে তারকা জাল খুঁজে নিতে ভুল করেননি।

মধ্যবিরতির পর ৫০ মিনিটে নেইমারের সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ান খেলে এমবাপে বল ঠেলে দিয়েছিলেন কাভানিকে। তা থেকে গড়া উরুগুয়ে তারকার দুর্দান্ত প্রচেষ্টাটি আটকে যায় ক্রসবার দুর্ভাগ্যে। পরের দশ মিনিটে আরও তিনটি সুযোগ হাতছাড়া করেন কাভানি-এমবাপেরা।

ম্যাচের ৬৬ মিনিটে আসে নেইমারের কাঙ্ক্ষিত গোল। বার্সায় থাকার সময় প্রিয় বন্ধু-সতীর্থ মেসিকে অনেকবারই এটা করতে দেখেছেন; ফ্রি-কিক নিতে দেখেছেন লাফিয়ে ওঠা রক্ষণ দেয়ালের পায়ের নিচ দিয়ে। ব্রাজিল তারকা সেটার কপিবুক করেই গোল আদায় করেছেন এদিন।

পরে ৭৯ মিনিটে হেনরির শট ক্রসবার দুর্ভাগ্যে কাটা পড়লে গোলবঞ্চিত হয় আন্ডারলেখট। ৮২ মিনিটে এমবাপের শট একটুর জন্য লক্ষ্যে থাকেনি। আর ৮৮ মিনিটে কাভানির বদলি ডি মারিয়া দলের চতুর্থ গোলটি করে বড় জয় নিশ্চিত করেন।

এই জয়ে ৩ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে থাকল পিএসজি। ‘বি’ গ্রুপে রাতের অন্য ম্যাচে সেল্টিককে ৩-০ গোলে হারিয়ে ৬ পয়েন্টে টেবিলের দুইয়ে আছে বায়ার্ন মিউনিখ। তিনে থাকা সেল্টিকের পয়েন্ট ৩। পয়েন্টহীন আন্ডারলেখট তলানিতে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট