‘পারমানবিক মিসাইল ভাণ্ডারে আরও চল্লিশটি দূর পাল্লার ব্যালেস্টিক মিসাইল আছে’

‘পারমানবিক মিসাইল ভাণ্ডারে আরও চল্লিশটি দূর পাল্লার ব্যালেস্টিক মিসাইল আছে’

রাশিয়ার হুমকির মোকাবেলায় পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণের জন্য ব্রাসেলসে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন নন্যাটোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রীরা। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইউরোপে আসার পথে বলেছেন, তিনি নতুন করে আরেকটি স্নায়ু যুদ্ধ চান না।

বাস্তবে, ন্যাটো আর রাশিয়ার মধ্যে যেভাবে বিদ্বেষ বাড়ছে আর পরস্পরের প্রতি সামরিক শক্তি প্রদর্শন করে চলেছে, তাতে অনেকেই আরেকটি স্নায়ু যুদ্ধের আশঙ্কা করছেন তাবড় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। গত সপ্তাহেই রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষণা করেছেন, তাদের পারমানবিক মিসাইল ভাণ্ডারে আরও চল্লিশটি দূর পাল্লার ব্যালেস্টিক মিসাইল যোগ হতে চলেছে।

ওই ঘোষণাকে একপ্রকারের সামরিক হুমকি বলেই বর্ণনা করেছে ন্যাটো। ন্যাটোর মহাসচিব জেনস স্টোলটেনবার্গ বলেছেন, লক্ষ্য করা গিয়েছে, রাশিয়া তাদের সামরিক খাতে বরাদ্দ বাড়িয়েই চলেছে। বিশেষত পারমানবিক শক্তি বৃদ্ধিতে বিশেষ নজর দিচ্ছে তারা। তাই ন্যাটোর শক্তিও বাড়ানো হচ্ছে।

অবশ্য এর আগেই পূর্ব ইউরোপের ন্যাটো দেশগুলিতে নিজেদের উপস্থিতি আরও জোরদার করার ঘোষণা করেছিল আমেরিকা। ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার ভূমিকার পর থেকেই ন্যাটো আর রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে।

পোল্যান্ডে ন্যাটো টাস্কফোর্সের একটি পরীক্ষাও হয়ে গেল সম্প্রতি। রেল, সড়ক আর নৌপথে চালানো ওই মহড়ার মধ্যে মস্কোকে পরিষ্কার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সম্প্রতি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা খাতে বিপুল বরাদ্দ বাড়িয়েছে সরকার। কোনও পক্ষই অবশ্য সরাসরি একে অপরকে দায়ী করছে না। এখনো আলোচনার রাস্তা খোলা রাখছে উভয়পক্ষই। তাই এখনই কেউ একে স্নায়ু যুদ্ধ বলতে রাজি নন। কিন্তু পরিস্থিতি অনেকটা সেরকমই হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট