চিনের মতো এত খারাপ সাবমেরিন নাকি আর কারোর নেই!

চিনের মতো এত খারাপ সাবমেরিন নাকি আর কারোর নেই!

চিনা সাবমেরিন নিয়ে রীতিমত আতঙ্কিত বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশগুলি। কারণ, চিনা সাবমেরিনগুলিতে থাকা অত্যাধুনিক মিসাইল সিস্টেম এবং প্রযুক্তি যে শক্তিধর দেশের সাবমেরিনকে পিছনে ফেলে দিতে পারত।  কিন্তু দিনে দিনে সেই বিশ্বাস ভাঙতে চলেছে!

কারণ সম্প্রতি এক রিপোর্টে দেখা গিয়েছে,  চিনা নৌবাহিনীর নিউক্লিয়ার সাবমেরিন টেকনোলোজি অত্যন্ত নিন্মমানের।  এমনকি, সেই দেশের নিউক সাবমেরিনগুলির একটি ভয়ংকর সমস্যা হল ,তাদের সাবমেরিনগুলি প্রচণ্ড পরিমাণে নয়েজি অর্থাৎ শব্দ তৈরি করে। আর সাবমেরিনে উত্পন্ন শব্দগুলি খুব সহজেই ক্যাচ করে নিতে পারে আধুনিক সাবমেরিন হান্টাররা

এই সমস্যা রয়েছে চায়না নেভির লেটেস্ট সাবমেরিনেও। যেমন তাঁদের সবচেয়ে লেটেস্ট সাবমেরিন TYPE-094 ,এই সাবমেরিনটি ,70 এর দশকের সভিয়েত আমলের ডেল্টা – 3 ক্লাস সাবমেরিনগুলি থেকেও প্রায় দ্বিগুন শব্দ উত্পন্ন করে। তবে বর্তমানে চিনা নৌসেনার গঁদের ওপর বিষ ফোঁড়া হয়েছে,তাদের সার্ভিসে থাকা 70 এর দশকের তিনটি HAN ক্লাস নিউক এটাক সাবমেরিন।

5,500 টনের এই সাবমেরিনগুলি ,পৃথিবীর সবচেয়ে নয়েজি সাবমেরিন।। তবে সবচেয়ে বড় বিপদ হল এর ক্রুদের! কারন এর নিউক রিয়েক্টর শিল্ড টি নিউক রেডিয়েশন আটকাতে অক্ষম হচ্ছে,ফলে এর ক্রুদের ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগ হচ্ছে। এর ফলে এই ক্লাসের সাবমেরিনগুলি ক্রুদের জন্য জলের তলায় কফিনে রুপান্তরিত হয়েছে ।

এই HAN কলাস সাবমেরিনের অস্ত্র হল ,এর ছয়টি টর্পেডো টিউব । এখান থেকে এন্টিশিপ মিসাইলও লঞ্চ করা যায়। তবে এখানেও প্রবলেম আছে ,এই সাবমেরিন জলের তলা থেকে মিসাইল লঞ্চ করতে পারে না,তার জন্য একে জলের ওপরে আসতে হয় ।  আর যুদ্ধক্ষেত্রে জলের ওপরে সাবমেরিন জিনিসটির মতো অসহায় আর কিছুই নেই! দেখা পেলেই শত্রুপক্ষ একেবারে ছিঁড়ে খাবে!

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট