প্রাচীন জ্যোতির্বিজ্ঞান যন্ত্রের সন্ধান

প্রাচীন জ্যোতির্বিজ্ঞান যন্ত্রের সন্ধান

পূর্বে সাগর পথে যাত্রা ছিল খুবই দুঃসাহসিক ব্যাপার। যাত্রাপথ ঠিক রাখার জন্য নাবিকদের কাছে পর্যাপ্ত কোনো আধুনিক যন্ত্র ছিল না। জ্যোতির্বিজ্ঞানের উপরই বেশি নির্ভর করতে হতো। এমনই একটা দুর্লভ জ্যোতিবিজ্ঞান যন্ত্রের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যন্ত্রটি ‘এসমেরেলদা’নামের যে জাহাজে ব্যবহৃত হতো যা ১৫০৩ সালে সাগরে ডুবেছিল।

এসমেরেলদা নামক এ যন্ত্রটি ভাস্কো দা গামার অভিযানের সাথে যুক্ত ছিল বলে ধারণা করা হয়।

এ কারণেই ধারণা করা হচ্ছে, নৌবিদ্যার গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রগুলোর মধ্যে এটি সব থেকে পুরাতন। তাই ঐতিহাসিকভাবে এই যন্ত্রটির মূল্য অনেক বেশি। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষকদের জন্য এই যন্ত্রটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করেছে।

বিশেষ এই জ্যোতির্বিজ্ঞান যন্ত্রটি ১৭.৫ সেন্টিমিটার ব্যাসের এবং  ২ মিমি পুরুত্ববিশিষ্ট। ২০১৪ সালে ডেভিড মিরনস নামের এক সমুদ্র গবেষকের নেতৃত্বে  পরিচালিত এক উদ্ধার অভিযানে পাওয়া যায় দুর্লভ এই যন্ত্রটি।

সেই উদ্ধার অভিযানে তিন হাজারের বেশি যন্ত্রপাতি খুঁজে পান উদ্ধারকারী দলটি। এর মধ্যে জ্যোতির্বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট এই যন্ত্রটি ছিল সব থেকে মূল্যবান। এই যন্ত্রটির সাহায্য নিয়ে আকাশের চাঁদ-সূর্যের অবস্থানের পর ভিত্তি করে গতিপথ তৈরি করতে পারতেন নাবিকরা। প্রথমে এটি খুঁজে পাওয়ার পর এর মধ্যে কোন দিকনির্দেশক চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু অভিজ্ঞ বিজ্ঞানীরা  গবেষণা করে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব নিহ্নিত করেন।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট