অফিসের যে অভ্যাসগুলো ওজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী

অফিসের যে অভ্যাসগুলো ওজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী

নিয়ম মেনে খাবার না খাওয়ার ফলে অফিসে অবস্থান ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। যদি খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক কাজগুলো পরিকল্পণা অনুযায়ী না করা হয় তাহলে ওজন বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। এই অতিরিক্ত ওজন স্বাস্থের জন্য খুবই মারাত্মক ক্ষতিকর।

জেনে নিন যে কারণে দিন দিন আপনার ওজন বৃদ্ধি পাচ্ছে-

পরিমিত খাবার না খাওয়া:  আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রতিদিন খাবার খেতে হয়। কিন্তু এই খাবারের চাহিদা ও পরিমাণ সবার জন্য সমান নয়। প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে তাদের বয়স, লিঙ্গ, ওজন এবং বিশেষ করে উচ্চতার ওপর তাদের প্রাত্যহিক কতটুকু খাবার প্রয়োজন তা নির্ভর করবে। অনেক সময় সহকর্মী তার খাবার থেকে আপনাকে খাওয়ার জন্য অফার করলো এবং আপনি তা খেয়ে নিলেন| কিন্তু খাবার গ্রহণের আগে আপনাকে সব সময় মনে রাখতে ক্যালরি সম্পর্কে। কেননা প্রয়োজনের তুলনায় অধিক পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ করলে আপনার ওজন বৃদ্ধি পাবে|

একনাগারে খাবারের অর্ডার দেয়া: আপনার প্রকৃত পরিকল্পনা হচ্ছে কিছু সালাদ অথবা জুস খাওয়া কিন্তু আপনি জ্রাঙ্ক ফুডের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পিজ্জা বা বার্গার অর্ডার দিলেন। এ পদ্ধতিতে অফিস অধিক খাওয়ার স্থানে পরিণত হবে এর ফলে ওজন বৃদ্ধি পাবে।

পানি কম খাওয়া: অফিসে অধিক কাজের চাপে অনেক সময় পানি খাওয়ার কথা মনে থাকে না। যদি শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান না করা হয় তাহলে ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পানি খাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারলে ওজন অনেকাংশে কমে যাবে।

দ্রুত খাবার খাওয়া: অফিসে কাজের চাপে অনেকেই দ্রুত খাবার খেয়ে থাকেন। কাজর চাপে অনেকেই খাবার ভালোভাবে ক্ষেতে পারে না। তাই একবারে বেশী এবং দ্রুত খাবার খেলে শরীরে চর্বি জমে এবং ভালোভাবে খাবার হজম হয় না। এতে ওজন বৃদ্ধি পায়।

আঁশ জাতীয় খাবার না খাওয়া: হজম শক্তি বৃদ্ধির জন্য আঁশ জাতীয় খাবারের গুরুত্ব অপরিসীম। কাজের চাপে আমারা শুধু পেটের ক্ষুধা নিবারনের দিকে গুরুত্ব দেই কিন্তু আশঁজাতীয় খাবারের দিকে তেমন গুরুত্ব দেয়া হয় না। এতে আপনার ওজন বাড়তে পারে।

দেরীতে খাবার খাওয়া: কাজের চাপে অনেক সময় দেরীতে খাবার খেতে হয়। আর দেরীতে খাবর গ্রহন অপনার শরীরে নিয়ে আসবে নানা ধরণের সমস্যা। শারীরিক সমস্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকি হচ্ছে ওজন বৃদ্ধি পাওয়া।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট