টি-টোয়েন্টিতেও জয়ের ধারা অব্যাহত পাকিস্তানের

টি-টোয়েন্টিতেও জয়ের ধারা অব্যাহত পাকিস্তানের

সেরা দল নিয়েও ওয়ানডে সিরিজে উড়ে গেছে লঙ্কানরা। টি-টোয়েন্টিতে তো সেরাদের ছাড়া শ্রীলঙ্কা আরও ভাঙাচোরা। ফল যা হবার, হলো তাই। সহজ জয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করল পাকিস্তান।

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আবু ধাবিতে বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। এগিয়ে গেছে তিন ম্যাচের সিরিজে।

শেষ ওয়ানডেতে ১০৩ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তুলতে পারল তারা ১০২। বোলাররা শুরুতে একটু লড়াই করেছে। পাকিস্তান তবু শেষ পর্যন্ত সহজে জিতেছে ১৬ বল বাকি রেখে।

এই সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি হবে লাহোরে। পাকিস্তানে যেতে ইচ্ছুক ক্রিকেটারদের নিয়েই কেবল গড়া হয়েছে শ্রীলঙ্কার স্কোয়াড। থিসারা পেরেরার নেতৃত্বে দলে আছেন অনেক দিন থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকা কয়েকজন আর কিছু নবীন ক্রিকেটার; এখনকার নিয়মিত মুখ কমই।

দলের হোঁচট খাওয়া শুরু প্রথম ওভার থেকেই। দিলশান মুনাবিরাকে বোল্ড করে দেন ইমাদ ওয়াসিম। শেষ ওয়ানডেতে ৫ উইকেট নেওয়া উসমান খানের শিকার আরেক ওপেনার দানুশকা গুনাথিলাকা।

২ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কা ৫০ পেরিয়ে যায় নবম ওভারে। তখনও ভাবা যায়নি, অপেক্ষায় কী দুর্যোগ। অভিষিক্ত সাদিরা সামারাবিক্রমাকে ২৩ রানে বোল্ড করে দেন ফাহিম আশরাফ। শ্রীলঙ্কা হারাতে থাকে একের পর উইকেট।

ওয়ানডে সিরিজ জুড়ে শ্রীলঙ্কাকে ভোগানো হাসান আলি নেন ৩ উইকেট। হাফিজ নিজের প্রথম ওভারেই মেডেন নিয়ে দুই উইকেট। উসমান খান আক্রমণে ফিরে তুলে নেন বিপজ্জনক থিসারা পেরেরাকে। শ্রীলঙ্কার একশ হওয়া নিয়েই টানাটানি।

শেষ দিকে দুই ছক্কায় সিকুগে প্রসন্নর অপরাজিত ২৩ রানে কোনো রকমে একশ পেরোয় তারা।

এই পুঁজি চ্যালেঞ্জ জানানো কঠিন। শ্রীলঙ্কা তবু ১৮ রানে ২ উইকেট তুলে নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিল লড়াইয়ের। কিন্তু অভিজ্ঞ শোয়েব মালিকের ব্যাটে অনায়াসেই জয়ের ঠিকানায় পৌঁছে যায় পাকিস্তান।

৩১ বলে ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন মালিক। ২৩ বলে ২৫ রানে অপরাজিত হাফিজ।

ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন হাসান আলি। তবে ২০ রানে শুরু আর শেষে গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা বাঁহাতি পেসার উসমান।

শুক্রবার হবে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ফল: সাত উইকেটে জয়ী পাকিস্তান।

শ্রীলঙ্কা ইনিংস: ১০২ (১৮.৩ ওভার)

দানুশকা গুনাথিলাকা ১৮, দিলশান মুনাবিরা ০, সাদিরা সামারাবিকরামা ২৩, আশান প্রিয়ঞ্জন ১২, মাহেলা উদাওয়াত্তে ৮, সাচিথ পাথিরানা ৪, দাসুন শানাকা ০, সেকুগে প্রসন্ন ২৩*, থিসারা পেরেরা ৬, ইসুরু উদানা ০, ভিকুম সঞ্জয়া ৪; ইমাদ ওয়াসিম ১/২৬, উসমান খান ২/২০, হাসান আলী ৩/২৩, ফাহিম আশরাফ ১/৬, শাদব খান ১/১৪, মোহাম্মদ হাফিজ ২/১০)।

পাকিস্তান ইনিংস: ১০৩/৩ (১৭.২ ওভার)

(ফখর জামান ৬, আহমেদ শেহজাদ ২২, বাবর আজম ১, শোয়েব মালিক ৪২*, মোহাম্মদ হাফিজ ২৫*; ভিকুম সঞ্জয়া ২/২০, দিলশান মুনাবিরা ০/৫, সাচিথ পাথিরানা ১/২৫, ইসুরু উদানা ০/১৮, সেকুগে প্রসন্ন ০/১৭, থিসারা পেরেরা ০/১৪, দাসুন শানাকা ০/৩)।

 

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট