একটি অঙ্গই বলে দেবে প্রেয়সী কেমন চরিত্রের

একটি অঙ্গই বলে দেবে প্রেয়সী কেমন চরিত্রের

 

প্রেম কারো জীবনে বলে কয়ে আসে না। বেশিরভাগ কিশোর-কিশোরী ঝোকের বশে প্রেমে পড়ে বসে। তবে পরিণত বসয়ের প্রেম হয় বুঝেশোনে। প্রেমে পড়ার আগে আকাঙ্ক্ষিত তরুণীটি কেমন স্বভাবের কিংবা চরিত্রের হবে সেটি বুঝা খুবই জরুরি। তা না হলে সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হবে না।

আর প্রেয়সীকে চিনতে শরীরের একটি অঙ্গ-ই যথেষ্ট। বুদ্ধিমান মাত্রই ওই অঙ্গের দিকে দৃষ্টি দিয়ে বুঝে উঠতে পারেন আকাঙ্ক্ষিত মানুষটি কী স্বভাবের, বুদ্ধিমান নাকি নির্বোধ। মেজাজী না ঠান্ডা মাথার। আসুন জেনে নিউ সেই উপায়-

*যাঁদের মুখ লম্বার তুলনায় কম চওড়া, তাঁরা পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। আবার যাঁদের মুখ লম্বার তুলনায় বেশি চওড়া, তাঁরা জন্মগতভাবেই আত্মবিশ্বাসী।

*চোখের মণির রং বলে দেয় অনেক কিছু। যার মণির রং যত গাঢ় তাঁর মনের গভীরতা তত বেশি। তাঁর আকর্ষণ ক্ষমতাও তত বেশি।

* উপরের ঠোঁট ও নাকের মধ্যে দূরত্ব দেখে আন্দাজ করা যায় কার মধ্যে হাস্যরস কেমন। দূরত্ব যত বেশি হাস্যরস তত বেশি।

*উপরের ঠোঁট যত মোটা হয়, তার কথায় ও আচরণে ততই ভদ্রতা এবং মহত্ব পাওয়া যায়।

* দু’টি ভ্রূয়ের মধ্যে দূরত্ব দেখে বোঝা যায় তাঁর কঠিন পরিস্থিতি সহ্য ক্ষমতা কেমন। দূরত্ব যত বেশি, সহ্য ক্ষমতা তত বেশি।

*চোখের উপরে থাকে ভ্রূ। কিন্তু যে মেয়ের ভ্রূ চোখ থেকে যত উপরে তার আত্মকেন্দ্রিকতা তত বেশি। সে ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দকে বেশি গুরুত্ব দেয়।

*যে মেয়ের চোখের পাতা যত মোটা ও কোঁকড়ানো, তার বিশ্লেষণ ক্ষমতা তত বেশি। যাঁদের চোখের পাতায় কোনো ভাঁজ নেই, তাঁরা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেন।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট