যেসব গুণ পুরুষসঙ্গীর থাকা দরকার

 যেসব গুণ পুরুষসঙ্গীর থাকা দরকার

‘নোবডি ইজ পারফেক্ট’। তারপরও সঙ্গী নির্বাচনের আগে কিছু বিষয় অন্তত খেয়াল রাখা উচিত। বিশেষ করে নারী হিসেবে পুরুষের কয়েকটা গুণ যাচাইবাছাই করলে ভবিষ্যতে পস্তানোর সম্ভাবনা কমবে।

আর পুরুষদেরও এই বিষয়গুলো জানা থাকলে বোঝা সহজ হবে সঙ্গী হিসেবে আপনি কেমন হবেন।

আপনি গান ভালোবাসেন? অথবা গিটার? নিশ্চয়ই সঙ্গী হিসেবে এমন কাউকে বেছে নিতে চাইবেন যে কিনা গান গেয়ে বা গিটারের সুরের জাদুতে আপনাকে মুগ্ধ করে রাখতে পারবে। তবে মনে রাখবেন এটাই সব নয়।

পছন্দের গুণগুলো থাকা মানুষটি আপনার ‘যোগ্য পুরুষ’ নাও হতে পারে।

এই বিষয়ের উপর প্রকাশিত সম্পর্কবিষয়ক ওয়েবসাইটের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায় সঙ্গী নির্বাচনে উপযুক্ত গুণ ও যোগ্যতা সম্পর্কে। যেগুলো নজর দিয়ে সঙ্গী নির্বাচন করলে ভবিষ্যতে আফসোস করতে হবে না।

আপনার ‘হ্যাঁ’ তে ‘হ্যাঁ’ বলা বা আপনার সব কথায় তাল মেলানো মানুষকে কখনও সঙ্গী হিসেবে পছন্দ হবে না। কারণ এতে এক সময় মনে হবে জীবনটা পানসে।

সঙ্গী হিসেবে এমন মানুষকেই বেছে নেওয়া উচিত যে আপনার সামনে তার মতামত উপস্থাপন করতে ভয় পাবে না, অকপটে সে তার বিশ্বাস ও ইচ্ছার কথা বলতে পারবে।

প্রেমিক যতই মিষ্টি কথা বা গানে আপনাকে মুগ্ধ করে রাখুক না কেনো তার সব কথাতেই গলে গেলে চলবে না। সততা সবচেয়ে বড় গুন। সঙ্গী হিসেবে এমন মানুষকে বেছে নেওয়া উচিত যে আপনার সামনে সত্যি কথা বলতে ভয় পাবে না ।

সবচেয়ে আবেদনময়ী পুরুষ তো সে-ই যে কিনা মেয়েদের সন্মান করতে পারে। হোক সে মা, বোন অথবা বান্ধবী। নারীদের সম্মান করে এমন পুরুষের প্রতি নারীরা বেশি আগ্রহী হয়।

হয়তবা আপনার একটু ‘কেয়ারলেস কেয়ারিং’ ধরনের মানুষ ভালোলাগে। তবে যার মাঝে সাধারণ রসবোধও নেই তার সঙ্গে সারা জীবন কাটানো বেশ কষ্টকর।

এমন মানুষকেই বেছে নেওয়া উচিত যে আপনার খারাপ অভ্যাস বা গুণগুলো আপনার সামনে বলতে ভয় পাবে না। ভুল ধরিয়ে দিতে পারে যে সেই আপনার সবচেয়ে ভালো সঙ্গী।

যে কেউ তার অতীত বা গোপন কথা সঙ্গীর সঙ্গে ভাগাভাগি করতে পারে। তাই বলে অতীত ঘটনার ভিত্তিতে আপনাকে যাচাই করা ঠিক হবে না। যদি আপনার প্রেমিক সেটা করে থাকে তাহলে বুঝতে হবে সে আপনার উপযুক্ত নয়।

কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের প্রতি আগ্রহ আছে যেমন- বেড়াতে পছন্দ করে বা স্ট্যাম্প সংগ্রহ করে- এমন সঙ্গী বেছে নিন। সঙ্গী যখন তার আগ্রহ সম্পর্কে কিছু বলবে, দেখবেন তার চোখের মধ্যে অদ্ভুত এক আলোকছটা কাজ করে।

সঙ্গীর দয়াশীলতাকে কখনও অবহেলা করবেন না। যার হৃদয় বড় সে ভালোবাসেও বেশি।

সম্পর্কের অধিকাংশ সমস্যাই ভালো যোগাযোগের মাধ্যমে এড়ানো যায়। যে ব্যক্তি নিজের অনুভূতিকে নষ্ট করে এবং সমস্যা সমাধান করতে আগ্রহী নয় তার সঙ্গে সম্পর্ক না রাখাই ভালো।

সঙ্গী হিসেবে এমন কাউকে খুঁজে নিন যে মানসিকভাবে পরিণত ও সমস্যা সমাধানে আগ্রহী।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট