মামলায় জিতলেন গেইল

মামলায় জিতলেন গেইল

 

২০১৫ বিশ্বকাপে অশালীনভাবে এক নারীর কাছে নিজেকে উপস্থাপন করেছিলেন ক্রিস গেইল। তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনেছিল অস্ট্রেলিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স মিডিয়া। আর সেই অস্ট্রেলিয়ান মিডিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন ক্যারিবীয় তারকা। প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় পর অবশেষে সেই মামলায় জিতেছেন গেইল।

সোমবার দুই ঘণ্টারও কম সময় আদালতে যুক্তি-তর্কের পর গেইলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগুলোর পক্ষে কোন প্রমাণ দেখাতে পারেনি ফেয়ারফ্যাক্স মিডিয়া। তারা যেসব রিপোর্টের কথা দাবি করছিল, এর সত্যতা তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন আদালতে।

নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পেরে আনন্দিত ক্রিস গেইল বললেন, ‘জ্যামাইকা থেকে উড়ে এসেছি শুধুমাত্র নিজের অবস্থান তুলে ধরতে। দিন শেষে সত্যিই আমি হাসি মুখ নিয়ে যাচ্ছি। আমি একজন ভালো মানুষ, আমি দোষী নই।’

আদালত এটাও জানিয়েছে, গেইলের বিরুদ্ধে যেসব রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে তা ছিল উদ্দেশ্য-প্রণোদিত। এরফলে গেইল যেই ক্ষতির মুখে পড়েছেন তার একটি শুনানি অনুষ্ঠিত হবে পরে। তবে ফেয়ারফ্যাক্স মিডিয়া জানিয়েছে তারা আপিল করবে।

গেইলের মূল ঘটনাটি ছিল বিগ ব্যাশে। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট ম্যাচ চলার সময়  এক মহিলা সাংবাদিককে ‘অশালীন’ মন্তব্য করেন গেইল। এ ঘটনায় জরিমানাও করা হয় তাকে। ‘অপরিপক্ক’ আচরণের জন্য গেইলকে ১০ হাজার ডলার জরিমানা করা হয়। এই ঘটনাই তোপের মুখে ফেলে দেয় গেইলকে। তার পেছনে লাগে অস্ট্রেলিয়ান গণমাধ্যম। যা উস্কে দেয় আরেকটি ঘটনাকে। বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার এক নারীর সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছেন বলে নতুন অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে।

সেই ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৫ বিশ্বকাপে। সে সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সেবায় ছিলেন অস্ট্রেলীয় এক নারী। একদিন কাজের জন্য ওই নারী গেইলদের ড্রেসিং রুমে প্রবেশ করেছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন সে সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়রা মাঠে রয়েছেন। রুমে ঢুকে তিনি তোয়ালে পড়া ক্রিস গেইলকে দেখতে পান। এরপরেই গেইল তার সামনে নিজেকে অশালীন ভাবে উপস্থাপন করে কিছু কথা বলেন।  পরে বিগ ব্যাশের ওই ঘটনার পর সেই নারী মুখ খুলেন বলে দাবি করে ফেয়ারফ্যাক্স মিডিয়া।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট