সৌদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ছে

সৌদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ছে

সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে। এ বিষয়ে দুই দেশই সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে ঢাকা সফররত সৌদি আরবের এক ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান মুহিত। এসময় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিনিধি দলে ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিং ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি গ্রুপ, এলপিডি’র এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট মুসাহেব আবদুল্লাহ আল কাতানির নেতৃত্বে ১৭ সদস্যের একটি সৌদি ব্যবসায়ী রয়েছেন।

অর্থ মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য উৎকৃষ্ট জায়গা। ২০১৫ সালের পর থেকে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রয়েছে। যা বিনিয়োগের জন্য সহায়ক।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সফররত সৌদি আরবের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল আগামীকাল ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এর সঙ্গে  একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সৌদি আরবের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ , সোলার, জুট আইটিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে। এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করবেন তারা।

অর্থমন্ত্রী বলেন,  ‘চলতি বছর আমাদের দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে। গত বছর বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার, যা বেড়ে চলতি বছর ২ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে  উন্নীত হয়েছে। সৌদি আরবসহ অনেক দেশ বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছে। তারা বিনিয়োগ করতে চাইলে তাদের স্বাগত জানাবো। সেক্ষেত্রে তাদের কোনও সমস্যা হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘ সৌদি আরব বিনিয়োগ করতে চাইলে, এ মুহূর্তে আমরা শিল্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পারবো। তবে গ্যাস পেতে হলে আগামী বছরের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কারণ তখন আমাদের এলএনজি আমদানি শুরু হবে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি উদীয়মান রাষ্ট্র। বাংলাদেশের অর্থনীতি ও রাজনৈতিক পরিবেশ খুবই ভালো, যা বিনিয়োগবান্ধব। এ কারণেই শুধু সৌদি আরব নয়, বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছে। সৌদি আরবের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে অনেক পণ্য রপ্তানিযোগ্য। তবে প্রচার নেই। পণ্য রপ্তানির জন্য প্রচার প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বৈঠকে সৌদি -বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর ব্যাপারে সবাই আগ্রহ দেখিয়েছি। গামের্ন্টস ছাড়াও দেশটিতে রপ্তানী পণ্যের বহুজাত করার কথা হয়েছে।

তিনি জানান, বুধবার উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে একটি চুক্তি সই হবে। এই চুক্তির পরেই বেসরকারি পর্যায়ে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়বে।

সম্পর্কিত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক