প্রয়োজনে বিদেশি কোনো রাষ্ট্র বা সংস্থার কারিগরি সহায়তা

প্রয়োজনে বিদেশি কোনো রাষ্ট্র বা সংস্থার কারিগরি সহায়তা

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার দাবি করেছেন গুলশান ট্র্যাজেডির তদন্তের সক্ষমতা বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর রয়েছে। তবে প্রয়োজনে বিদেশি কোনো রাষ্ট্র বা সংস্থার কারিগরি সহায়তা নেয়া হতে পারে।

তিনি আরো জানান, বর্তমান পরিস্থিতি শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে মোকাবিলা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সমাজের সর্বস্তরের মানুষের ঐক্য। এছাড়া জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষণে পরিবর্তন আসবে বলেও জানান তিনি।

গুলশান ট্র্যাজেডির পর কেটেছে নয় দিন। এই ঘটনায় এরই মধ্যে মামলাও হয়েছে গুলশান থানায়। মামলাটি তদন্ত করছে ডিএমপির নব গঠিত কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্র্যান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট। এর মধ্যে ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ এবং আটক সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার জানান, সন্ত্রাসীদের হাতে নিরপরাধ মানুষের জিম্মি হওয়ার মতো ঘটনা বাংলাদেশে প্রথম। তবে এই মামলা তদন্তের সক্ষমতা তাদের রয়েছে।

তিনি আরো জানান, গুলশান জিম্মির ঘটনায় অংশগ্রহণকারীদের প্রায় সবাই উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এছাড়া শোলাকিয়ায় বোমা হামলাকারী আবির রহমানের সামাজিক অবস্থানও একই রকম। এই প্রেক্ষাপটে জঙ্গিবাদ মোকাবেলায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা চান তিনি।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া জানান, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সহায়তা অবশ্যই চাইব। কোথায় এই ধরণের জঙ্গি কার্যক্রম প্রশিক্ষণ হয় সেগুলো আমাদের নজরদারীতে রাখতে হবে।’

জঙ্গিবাদের এই নতুন কৌশল মোকাবেলায় সমাজের সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যমত প্রত্যাশা করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষণেও পরিবর্তন আনবেন তারা।

তিনি আরও জানান, ‘আমি বলব এটি আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়, এটি আমাদের জাতীয় সমস্যা। এজন্য জাতীয় ঐক্যমত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

নগরবাসীর সমর্থন ও সহযোগিতা নিয়েই বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব বলেও আশা ঢাকা মহানগর পুলিশ প্রধানের।

সম্পর্কিত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক