কেমন ছিল জিৎ-ফারিয়ার বাদশা দি ডন!

কেমন ছিল জিৎ-ফারিয়ার বাদশা দি ডন!

এবারের ঈদে দুই বাংলায় মুক্তি পাওয়া ‘বাদশা দি ডন’ জাজ মাল্টিমিডিয়া ও ভারতের এসকে মুভিজের  যৌথ প্রযোজনার একটি বানিজ্যিক ছবি। দুই বাংলার গতানুগতিক অন্য সব ছবিগুলোর মত এই ছবিতেও একশন, রোমান্স, ডায়লগ সহ সবধরনের রোসদের উপস্থিতি ছিলো।

বাদশা দি ডন  ছবির গল্প বাংলা ছবির অন্য আট-দশটা গল্পের মতোই ছিলো। এই ছবিতে বাদশা(জিৎ) ছোট থেকেই অমিতাভ বচ্চন অভিনীত ডন ছবি দেখতে দেখতে ডন হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। তাই এরই ধারাবাহিকতায় নিজের নাম রাখেন বাদশা-দি ডন।

তার নানান ধরণের পাগলামীর কারণে একসময় তার সৎ মা তার প্রতি বিরক্ত হয়ে তাকে মারধর করলে বাদশা বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। শহরে পালিয়ে গিয়ে বড় হওয়ার পরে তিনি ডন হওয়ার জন্য নানা রকম চেষ্টা করতে থাকেন। একসময় শহরের দু তিনটি গ্যাং এর সাথে তার পরিচয় হয় এবং তাদের সাথে  জড়িয়ে হয়ে যান বাদশা দি ডন।

ঠিক এরপর শুরু হয়ে যায় বাংলা অন্য সব ছবি মত চিরায়ত ঘটনা; নায়ক-নায়িকা প্রেমের অভিনয় করতে গিয়ে প্রেমে পড়ে যাওয়া ইত্যাদী, ইত্যাদী।

এই ছবিতে মূলত জিৎ অমিতাভের ভক্ত হিসেবে দুর্দান্তও পারফর্মেন্স দেখিয়েছেন। তার সাথে নুসরাত ফারিয়া কম যান নি। তিনি যেমনটি দেখতে সুন্দর তেমনি তার অভিনয়। আর এই ছবিতে ন্যাকামোই তার চরিত্রের সবকিছু আর ন্যাকামোতে তার চেয়ে ভালো আর কে যানে। সুতরাং সে তার নিজের চরিত্রে ভালোই ফুটিয়ে তুলেছেন।

অন্যদিকে ফেরদৌস ভিলেন হিসেবে ভালো অভিনয় করেছেন। তার সাথে অন্য সব ভিলেনদের মধ্যে বরাবরের মত কোলকাতার রজতাভ দত্ত দুরন্ত অভিনয় করেছেন। এছাড়াও দ্বিতীয় নায়িকা চরিত্রে দক্ষিণ ভারতের নায়িকা শ্রদ্ধা দাসকে অসম্ভব সুন্দর অভিনয় করতে দেখাগেছে এবং তার চরিত্রে  তিনি দারুন মানিয়ে গেছেন। পাশাপাশি অন্য চরিত্রের শিল্পীরা সবাই ভালো করেছেন। সব মিলিয়ে বলা যেতে পারে ‘বাদশা দি ডন’ ছবিটি এবার ঈদে দর্শকদের জন্য দারুণ একটি উপহার।

জাজ মাল্টিমিডিয়াকে ধন্যবাদ, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে উন্নত সব ছবি নির্মাণ করে চলচ্চিত্র শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যে।

সম্পর্কিত সংবাদ
মোঃ রায়হানুল হক (রুবেল)