ফেসবুকের সৌরচালিত ড্রোন ‘অ্যাকুইলা’ আকাশে

ফেসবুকের সৌরচালিত ড্রোন ‘অ্যাকুইলা’ আকাশে

দুই বছর প্রকৌশল প্রচেষ্টার পর অবশেষে ফেসবুকের সৌরচালিত ড্রোন ‘অ্যাকুইলা’ আকাশে উঠলো সফলভাবে। বিশ্বের যেসব এলাকায় ইন্টারনেট সেবা যথেষ্ট নয় সেসব এলাকায় ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে কাজ করবে ‘অ্যাকুইলা’।

5

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ জানিয়েছেন, কয়েক হাজার অ্যাকুইলা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের আকাশে উড়বে। যেসব এলাকায় ইন্টারনেট নেই সে এলাকাগুলোতে এগুলো ইন্টারনেট টাওয়ারের মতো কাজ করবে আকাশে উড়ে উড়ে, ঘুরে ঘুরে।

এই ড্রোন এক নাগাড়ে আকাশে উড়তে পারবে তিন মাস। এই সময়ে বেস স্টেশনের সাথে তথ্য আদান প্রদান করতে পারবে। আকারে বেশ বৃহৎ অ্যাকুইলা। এর দুই পাশের ডানা থাকছে বোয়িং ৭৩৭-এর মতো প্রশস্ত, যাতে যুক্ত থাকবে সোলার প্যানেল।

1

লেজার রশ্মি ও বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে কাজ করবে অ্যাকুইলা। প্রথমে ভূপৃষ্ঠের ইন্টারনেট সরবরাহের স্টেশন থেকে একটি অ্যাকুইলায় লেজার রশ্মির মাধ্যমে তথ্য পাঠানো হবে। এরপর এটি থেকে অন্য অ্যাকুইলাগুলোয় একইভাবে তথ্য যাবে।

সৌরশক্তিচালিত এই ড্রোনটির ডানার দৈর্ঘ্য একটি বোয়িং-৭৩৭ বিমানের ডানার সমান, কিন্তু ওজন একটি গাড়ির ওজনের চেয়েও কম।

2

প্রতিটি অ্যাকুইলা আকাশে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে থেকে লেজার রশ্মির মাধ্যমে নিচে পৃথিবীতে হটস্পটের আওতাধীন এলাকায় অবিরতভাবে ইন্টারনেট-সংযোগ দিতে পারবে।

ডানায়যুক্ত চারটি ঘূর্ণায়মান পাখার সাহায্যে এটি ৬০ হাজার ফুটেরও বেশি উচ্চতায় তিন মাস পর্যন্ত ভেসে থেকে ইন্টারনেট-সুবিধা দিতে পারবে ড্রোনটি।

3

এই প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত লেজার রশ্মি প্রতি সেকেন্ডে ১০ গিগাবাইট তথ্য পাঠাতে পারে, যা আগের যেকোনো ব্যবস্থার চেয়ে ১০ গুণ দ্রুত এবং ১০ মাইলেরও বেশি দূরত্ব থেকে নির্দিষ্ট বিন্দুলক্ষ্যে যুক্ত হতে পারে।

ড্রোনটি উড়বে ৬০-৯০ হাজার ফিট উঁচুতে। আর যেটি বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের সীমা থেকে অনেক উঁচুতে। বাণিজ্যিক বিমানের রুটের কোনো সমস্যাই তাই সৃষ্টি করবে না ফেসবুকের এই ড্রোন।

4

একই সাথে এই উচ্চতায় আবহাওয়াও খুব বেশি প্রভাব খাটাতে পারবে না ড্রোনটিতে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট