বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। প্রধান নদ-নদীর পানি বাড়ায় নতুন করে প্লাবিত হয়েছে অনেক এলাকা। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

বন্যার পানি বেড়ে যাওয়ায় পানিবন্দী অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন গাইবান্ধার ৪ উপজেলার প্রায় ২ লাখ মানুষ। বন্ধ হয়ে গেছে আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। দেখা দিয়েছে শুকনো খাবারের সঙ্কট।

এক সপ্তাহ ধরে অব্যাহত পানি বাড়ায় জামালপুরের ইসলামপুর, মেলান্দহ, দেওয়ানগঞ্জ ও মাদারগঞ্জ উপজেলায় বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট চরম আকার ধারণ করেছে। পানিতে ভেসে গেছে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদও। নষ্ট হয়ে গেছে গুরুত্বপূর্ণ ফাইলপত্র ও সরঞ্জামাদি।

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে শরীয়তপুরেও। পদ্মা ও কীর্তিনাশা নদীর পানি বেড়ে তলিয়ে গেছে নড়িয়া, জাজিরা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার শতাধিক গ্রাম। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় ছড়াচ্ছে পানিবাহিত নানা রোগ।

নীলফামারীতে তিস্তার পানি বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে দিনদিন। বাড়িঘর ডুবে যাওয়ায় উঁচু রাস্তা এবং বিভিন্ন স্কুলে গবাদি পশু নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন এলাকার মানুষ।

এদিকে, গত ২ দিনে বৃষ্টি না হওয়ায় কিছুটা উন্নতি হয়েছে সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির। নামতে শুরু করেছে সদর, বিশ্বম্ভরপুর দোয়ারাবাজারসহ নিম্নাঞ্চলের পানি।

সম্পর্কিত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক